ধামরাইয়ে বাসস্ট্যান্ডের দখল নিয়ে ফের দুই পক্ষ মুখোমুখি
Advertisement
ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ধামরাই বাসস্ট্যান্ডের দখল ও পালটা দখল নিয়ে ফের দুই পক্ষের মধ্যে দফায়-দফায় ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ নিয়ে এলাকায় বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি। ভোর ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে এ দুই পক্ষের তাণ্ডব। এতে ধামরাই-গুলিস্তান বাস চলাচল ব্যাহত হয়। সাধারণ যাত্রীদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। কবে নাগাদ এ সমস্যার সমাধান হবে তা-ও কারও জানা নেই। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ‘লিমিটেড বাস কোম্পানি’ নামে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে ধামরাই-গুলিস্তান মিনিবাস সার্ভিস। ‘লিমিটেড কোম্পানি’র চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম রতন ও মহাসচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ খানের নেতৃত্বে এ বাস সার্ভিস পরিচালিত হচ্ছে। হঠাৎ এ বাস সার্ভিসের বাসস্ট্যান্ডের কর্তৃত্ব নিতে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন, চালক মোহাম্মদ রিপন হোসেন ও মোহাম্মদ ফয়সাল নামে অপর এক বাস মালিক মঙ্গলবার ভোর ছয়টার দিকে শতাধিক ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়।
খবর পেয়ে বাস কোম্পানির চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম রতনের পক্ষে কুমড়াইল এলাকার কয়েকশত লোকজন মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করে। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। এক পর্যায়ে চলে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া এ বিবদমান দু’পক্ষের মধ্যে। আতঙ্ক নেমে আসে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও যাত্রী সাধারণের মাঝে। দিনভর চলে বিবদমান এ দু’পক্ষের সন্ত্রাসী তৎপরতা। এ বিষয়ে বাস মালিক মোহাম্মদ সাউথ হোসেন বলেন, রোড খরচের নামে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়ার প্রতিবাদে সাধারণ মালিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে দিলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। চাঁদাবাজি বন্ধে এরকম প্রতিবাদ আরও আগেই প্রয়োজন ছিল। চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ বাস মালিকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। এ বিষয়ে লিমিটেড বাস কোম্পানির সাইফুল ইসলাম রতন বলেন, ধামরাই-গুলিস্তান বাস সার্ভিস একটি লিমিটেড কোম্পানি। আমি সাধারণ বাস মালিকদের স্থানীয় মালিক সমিতি গঠন করার কথা বলেছি স্থানীয় সংসদ সদস্যবিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিনের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শক্রমে। এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, বাসস্ট্যান্ডের এ ঘটনার বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
