গলাচিপা সাপাহার বরিশাল মুকসুদপুরে ৪ লাশ উদ্ধার
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
গলাচিপায় লোহালিয়া নদী থেকে সোমবার এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া সাপাহার ও মুকসুদপুরে যুবক এবং বরিশালে শ্রমিকের লাশ উদ্ধার হয়েছে। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানান : পটুয়াখালীর গলাচিপায় কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে লোহালিয়া নদী থেকে সোমবার মো. লিটন নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি গজালিয়া ইউনিয়নের ইছাদী গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমখোলা ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। জানা গেছে, ১৪ মার্চ তরমুজ ক্ষেতে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন লিটন। এসআই শহীদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নওগাঁর সাপাহারে আইহাই ইউনিয়নের গৌরিপুর গ্রামের আমবাগান থেকে সোমবার অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন জানান, পরিচর্যার জন্য সকালে আম বাগানে গিয়ে ওই ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় শ্রমিকরা। ওসি আনারুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নওগাঁ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে। গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নিখোঁজের তিন মাস পর পুকুরের কচুরিপানার মধ্য থেকে তৌহিদুল ইসলাম মোল্যা নামে এক যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার ভাকুড়ী গ্রামের সুমন মন্ডলের পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার লতিফপুর গ্রামের আক্তার আলী মোল্লার ছেলে। ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর মাছ ধরতে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তৌহিদুল মোল্যা। এ ব্যাপারে থানায় ডায়েরি হলে সাকিব শেখ নামের একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার এক ব্যক্তি ওই পুকুর পরিষ্কার করতে গেলে কচুরিপানার মধ্যে গলিত লাশ দেখতে পায়। বরিশাল সদরের চরবাড়িয়া ইউনিয়নে সোমবার মাছের ঘের থেকে গিয়াস ফরাজি নামে এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই ইউনিয়নের রাজ্জাক ফরাজির ছেলে। তবে তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ওই মাছের ঘেরের মালিক কোটিপতি সার্ভেয়ার নামে পরিচিত আক্তারুজ্জামান বাবুল ওরফে সার্ভেয়ার বাবুল। সোমবার ঘের থেকে গিয়াসের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে ঘের মালিক বাবুলের লোকজন প্রচার করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গিয়াস নিহতের পরপরই মাছের ঘেরে লাগানো সিসি ক্যামেরা সরিয়েছে বাবুল। এছাড়া ঘেরে লোহার গুনা দিয়ে চারদিক ঘেরা ছিল, সেগুলোও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এসব বিষয়ে জানতে সার্ভেয়ার আক্তারুজ্জামান বাবুলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি।
