ভাঙ্গায় কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য ২০ হাজার টাকা!
Advertisement
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভাঙ্গায় এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানির ঘটনার মূল্য ২০ হাজার টাকা ধার্য করে রায় দিয়েছেন স্থানীয় মাদবররা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মুনসুরাবাদ গুচ্ছগ্রামে ভ্যানচালকের ৬ষ্ঠ শ্রেণির কিশোরী মেয়ের সঙ্গে। এ ঘটনায় রোববার রাত ৯টার দিকে অভিযুক্ত গ্যারেজ মিস্ত্রি দেলোয়ারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন মাদবররা। এদিকে শ্লীলতাহানিকে পুঁজি করে স্থানীয় কাশেম মাদবরসহ বিভিন্ন লোকজন অভিযুক্ত দেলোয়ারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কিশোরী জানায়, গুচ্ছগ্রামের বাবাকে নিয়ে ওই ঘরে থাকি। এ সুযোগে রাতে দেলোয়ার প্রায়ই আমার ঘরে ঢুকে কুপ্রস্তাব দেয় ও আমার সঙ্গে খারাপ কাজ করতে বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। ঘটনার দিন ২৫ এপ্রিল রাত অনুমান ১০টার দিকে বাবা আসবে বিধায় দরজা খুলে ঘুমিয়ে পড়ি। তখন দেলোয়ার আমার ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক খারাপ কাজ করার চেষ্টা করে। আমি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে। রোববার রাত ৯টার দিকে আমাদের ডেকে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ১০ হাজার টাকা ধরিয়ে দেয় এবং আরও ১০ হাজার টাকা দেবে বলে জানায়। অভিযুক্ত দেলোয়ার বলেন, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। এ বিষয় মুনসুরাবাদ গুচ্ছগ্রামের সভাপতি কাসেম মিয়া বলেন, রাতে আমরা স্থানীয় লোকজন বসে সালিশ করে দেলোয়ারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করি। তখন মেয়েটির দাদি, বাবা, চাচা সবাই উপস্থিত ছিল। তখন দরবার মেনে নিয়ে এখন বলছে সালিশ মানি না। ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
