নতুন কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব
রাঙামাটিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ মুখোমুখি
Advertisement
রাঙামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নতুন কমিটি নিয়ে রাঙামাটিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জেলা বিএনপি অফিসের আশপাশের এলাকায় প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। ৪ মে শহরের কাঁঠালতলী, পৌরসভা ও বনরূপা এলাকায় এ আদেশ জারি করে জেলা প্রশাসন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি। নবগঠিত এ কমিটিকে কেন্দ্র করে পদপ্রাপ্ত এবং পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছে। ইতোমধ্যে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা কয়েক দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হন। ঘটেছে ধাওয়া-পালটাধাওয়ার ঘটনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওইসব এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন, যা এখনো বলবৎ রয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন। এদিকে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। শহরে মাইকিং করে সাধারণ জনগণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সতর্ক করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল লক্ষ্য করা গেছে। শহরের পৌরসভা এলাকা, কাঁঠালতলী, বনরূপাসহ বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর একাধিক টিম অবস্থান নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে। পাশাপাশি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও শহরজুড়ে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, শহরে কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে। তাই সবাইকে আইন মেনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। এদিকে সদ্য ঘোষিত রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি অলি আহাদ বলেন, আমরা ধৈর্যসহকারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টায় আছি। তবু যারা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটাতে চাইলে তার দায়ভার তাদের নিতে হবে। কেন্দ্র আংশিক কমিটি ঘোষণা দিয়েছে। আশা করি পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলে কেউ বঞ্চিত হবেন না। তাই এ নিয়ে সমস্যা হওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকার কথা নয়। অপর পক্ষে পদবঞ্চিতদের মধ্যে মো. জাবেদ বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা দেওয়া একপেশে কমিটি আমরা মেনে নেব না। ঘোষিত কমিটি বাতিল করে আবার নতুন কমিটি করতে হবে।
