নেছারাবাদে পরকীয়ায় বাধা
শিক্ষিকা স্ত্রীকে গলা চেপে হত্যার চেষ্টা সরকারি কর্মচারীর
Advertisement
স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নেছারাবাদে (স্বরূপকাঠি) স্কুলশিক্ষিকা স্ত্রীকে মারধর ও গলা চেপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (সিএ) রনজিৎ কুমার হালদারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পপি রানী মিস্ত্রী, উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। বুধবার সন্ধ্যায় স্বামীর মারধরে আহত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং ঘটনার বিচার দাবি করেন। পপি রানীর অভিযোগ, রনজিৎ প্রায় দুই বছর ধরে পরকীয়ায় জড়িত। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলেই তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় সামান্য বিষয় নিয়ে তাকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পপি রানী নিজের চাকরির বেতনও তুলতে পারেন না বলে অভিযোগ করেন। মাস এলেই রনজিৎ তাকে মারধর করে চেকে অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে বেতন উঠিয়ে নেয়। পপি জানান, এর আগেও নির্যাতনের ঘটনায় তৎকালীন ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন, তবে কোনো প্রতিকার পাননি। তার দাবি, স্বামীর আচরণের কারণে বাসায় কোনো গৃহকর্মী টিকতে পারেন না।
পপির বোন ও শিক্ষিকা শিল্পী মিস্ত্রী অভিযোগ করেন, রনজিৎ সুদের কারবার ও পরকীয়ায় জড়িত। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তার বোনকে মারধর করা হয়েছে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রনজিৎ কুমার হালদার। তিনি বলেন, ‘আমি স্ত্রীকে মারিনি। সে নাটক সাজিয়ে হাসপাতালে গেছে।’ পরকীয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অভিযোগ শুনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
