পীরগঞ্জে আ.লীগ নেতার কাণ্ড
বিধবাকে গোপনে বিয়ের পর ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ
স্বীকৃতি চাওয়ায় মারধর
Advertisement
পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পীরগঞ্জে বিধবাকে গোপনে বিয়ের পর ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় বিয়ের স্ত্রীর স্বীকৃতি চাওয়ায় তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার পীরগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শারমিন আক্তার সুমী। ওই নারী বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর চতরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও আওয়ামী লীগের সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে তাকে গোপনে বিয়ে করে জিয়া। বিয়ের পর ব্যবসায়িক প্রয়োজনে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ২২ লাখ টাকা নেন জিয়া। পরে আবারও টাকা চাইলে সংসার টিকিয়ে রাখতে ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কারও তাকে দিয়েছি। এদিকে স্ত্রীর স্বীকৃতি চাইলে কালক্ষেপণ শুরু করে জিয়া। পরে তার বাড়িতে গেলে আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়ে যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে আমি গত ০২ জুন পীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। সে আমাকে সমাজের চোখে পতিতা হিসাবে আখ্যা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে। অভিযুক্ত জিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জনান।
