চাটখিলে নারীকে হত্যার পর আত্মহত্যার প্রচার
সালথা ও গাইবান্ধায় দুই নারীর লাশ উদ্ধার
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চাটখিলে নারীকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার প্রচার চালানো হয়েছে। সালথায় তরুণী ও গাইবান্ধায় মধ্যবয়সি এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানান : নোয়াখালীর চাটখিলে শুক্রবার রাতে শাহপুর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রাম থেকে ফারিহা আক্তার (১৮) নামে প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার প্রচার চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা। তিনি ওই গ্রামের প্রবাসী ফয়সাল আহমেদের স্ত্রী। শনিবার তার লাশ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ফারিহার বাবা সালাহ উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকালে ফারিহা তার বাড়ি থেকে প্রসাদপুরে শ্বশুরবাড়ি যায়। রাতে তাকে ফোনে জানানো হয় তার মেয়ে অসুস্থ। খবর পেয়ে প্রসাদপুরে গিয়ে দেখেন তার মেয়ের লাশ পড়ে আছে উঠানে। তিনি দাবি করেন তার মেয়েকে হত্যার করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি তার মেয়ে হত্যার বিচার চান। এ ঘটনায় তিনি চাটখিল থানায় মামলা করেছেন। ওসি আবদুল মোন্নাফ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে ফারিহার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। ফরিদপুরের সালথায় প্রেমের বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় লাইজু আক্তার (২৪) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার গট্টি ইউনিয়নের যুগিডাঙ্গা গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত লাইজু ওই গ্রামের মুকুল মোল্যার স্ত্রী। স্বামী মুকুল মোল্যা জানান, তারা দুজনেই একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চাকরির সুবাদে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে পারিবারিকভাবে প্রায় চার মাস আগে তারা বিয়ে করেন। তাদের মধ্যে কোনো ধরনের পারিবারিক বিরোধ ছিল না। কী কারণে তার স্ত্রী মারা গেছেন তা তিনি বুঝতে পারছেন না। গাইবান্ধা শহরের মুন্সিপাড়ায় রোশনা বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার স্বামী, ছেলে-বাবা কেউ ছিল না। তিনি বাঁশঝড়ের নিচে টিনের ছাপড়ায় একাই বাস করতেন। শনিবার সকালে বাঁশ ঝাড়ের নির্জন স্থানে তার লাশ দেখতে পান এলাকাকাবাসী। রোশনা মায়ের সঙ্গে আফসার আলীর পরিত্যাক্ত বাঁশঝাড়ে থাকতেন। মা-মেয়ে দুজনেই গৃহকর্মী ছিলেন। কিছু দিন আগে তার মা মারা গেলে তিনি একাই থাকতেন সেখানে। ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
