Logo
Logo
×

Advertisement

বাংলার মুখ

নাজিরপুরে বালু উত্তোলন নদীতে ঘরবাড়ি স্থাপনা

প্রশাসন উদাসীন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

Advertisement

Icon

নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

নাজিরপুরে প্রশাসনের সহায়তায় অবৈধ বালু উত্তোলনে ভেঙে যাচ্ছে ৬টি গ্রামের ঘর-বাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। আতঙ্কে দিন কাটছে নদী তীরবর্তী শত শত পরিবারের। বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ করলে তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। ভুক্তভোগীরা জানান, পতিত আওয়ামী লীগের শেষ সময় একটি চক্র নির্ধারিত বালুমহালের বাইরে মাঝেমধ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করেছিল। গত ৫ মাস ধরে প্রশাসনের সহায়তায় নির্ধারিত বালুমহালের বাইরে উপজেলার মাটিভাঙ্গা, মালিখালী, শাঁখারীকাঠী ও দীর্ঘা ইউনিয়নের চাঁদকাঠী, কারখানা বাড়ি ও গীলাতলা এলাকার মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া কালীগঙ্গা, মধুমতি, বলেশ্বর ও তালতলা নদীসহ স্থানীয় সাচীয়া, মালিখালী এলাকার নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাসান খান, শাঁখারীকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শ ম রেজাউল করিম ও যুবদল নেতা মিজান শরীফের প্রকাশ্য নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট ওই বালু উত্তোলন করছেন। প্রতিবাদ করায় উত্তোলনকারীরা সম্প্রতি প্রশাসন দিয়ে প্রতিবাদীদের হয়রানি করেন। এ নিয়ে কথা বললেই তাদের ক্যাডার বাহিনী বাড়ি চলে এসে হুমকি দেয়। বালু উত্তোলন বন্ধে ভুক্তভোগী কয়েকশ মানুষ প্রধানমন্ত্রীসহ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাননি। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাসান খান নিজেকে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নন দাবি করে বলেন, ওই বালুমহাল নেছারাবাদের এক ব্যবসায়ী খাস ইজারা হিসাবে নেন। আর যুবদল নেতা মিজানুর রহমান শরীফও নিজেকে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নন দাবি করে বলেন, সেখানে বালু উত্তোলনে তার একটি ড্রেজার রয়েছে। তবে শ ম রেজাউল করিম বলেন, তিনি বালুর ব্যবসার একজন শেয়ার। তাদের নির্ধারিত বালুমহালে বালু না থাকায় ওইসব এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করছেন। জানা গেছে, কালীগঙ্গা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সাচীয়া বাজার, লড়া-সাচীয়া সংযোগ সড়কের বিভিন্ন অংশসহ স্থানীয় চাপাখালী এলাকায় ব্যাপক ভাঙনের ফলে হুমকির মুখে রয়েছে নদীর দুই তীরবর্তী এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মসজিদ ও মন্দির। ১৭ আগস্ট সাচীয়া বাজারে ভয়াবহ নদীভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বাজারের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সমীর বিশ্বাস বলেন, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙনে ১৭ আগস্ট তার দুটি দোকানসহ ৭টি দোকান, ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাজারের খেয়াঘাটসহ একটি মসজিদ ও একটি মন্দির নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ বিষয়ে সুলতানা জেসমিন জুই এমপি জানান, ওই এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

হাইওয়ে পুলিশ ব্যস্ত চাঁদা সংগ্রহে

হাইওয়ে পুলিশ ব্যস্ত চাঁদা সংগ্রহে

বালাগঞ্জে দৃষ্টিনন্দন ভবনে ভূতুড়ে পাঠাগার

বালাগঞ্জে দৃষ্টিনন্দন ভবনে ভূতুড়ে পাঠাগার

বিয়ের আগের দিন বরের মৃত্যু

বিয়ের আগের দিন বরের মৃত্যু

ভাঙ্গায় নানাবাড়িতে প্রাণ হারাল শিশু

ভাঙ্গায় নানাবাড়িতে প্রাণ হারাল শিশু

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম