Logo
Logo
×

Advertisement

বাংলার মুখ

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরে এক ঘণ্টায় পরিপাটি

Advertisement

Icon

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল)। শনিবার দুপুরে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার খোঁজ নেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের কথা বলা হলেও এর আগাম সংবাদ পান পটিয়া স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। আগাম সংবাদে এক ঘণ্টায় পরিপাটি হয়ে যায় পটিয়া হাসপাতাল ও আশপাশের পরিবেশ। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও সীমাবদ্ধতার বিষয় মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের শূন্য পদে অতিদ্রুত গাইনি, সার্জারি, চক্ষু ও অ্যানেস্থেসিয়াসহ বিভিন্ন বিভাগে ৯ জন জনবল যোগদান করবেন বলেও জানানো হয়। এর মধ্যে রেডিওগ্রাফার, ল্যাব টেকনিশিয়ান, মিডওয়াইফ ও বাবুর্চি পদও রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পটিয়া হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়বের বাস ভবন বরাদ্দ থাকলেও সেখানে তিনি থাকেন না। তিনি প্রতিদিন দুপুরে পটিয়া হাসপাতালে আসেন চট্টগ্রাম নগরীর বাসা থেকে। সরকারের বিশেষ প্রোগ্রাম থাকলে তিনি সে দিন অফিস সময়ে হাসপাতালে যান। এরে বাইরে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যায় না। তার অনুপস্থিতির কারণে বহির্বিভাগসহ সব বিভাগে যে যার মতো করে সেবা দেন এবং অফিসে যান। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে চট্টগ্রাম নগরীতে আসা-যাওয়া করেন। দুপুরে পটিয়া হাসপাতালে যাওয়ার পর সেখানে ২-১ ঘণ্টা অবস্থান করেন এবং এরপরে সরকারি গাড়ি নিয়ে পটিয়া থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে দোহাজারীর একটি প্রাইভেট চেম্বারে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। সেখানে প্রাইভেট চিকিৎসা শেষে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর বাসায় ফেরেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পটিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসেবা নেন। প্রতিদিন বহির্বিভাগে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নেন এবং ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী ভর্তি হন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন। ভর্তি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ-স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

নেত্রকোনায় রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প কাজের আগেই বিল

কাজের আগেই বিল

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরে এক ঘণ্টায় পরিপাটি

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরে এক ঘণ্টায় পরিপাটি

বৃক্ষমানব কামালের জীবনযুদ্ধ হাঁটতে পারেন না তবুও গাছ বেয়ে চলে জীবিকা

হাঁটতে পারেন না তবুও গাছ বেয়ে চলে জীবিকা

বৃক্ষমানব একরামুলের জীবনযুদ্ধ এক পা অচল অন্যটিও দুর্বল তবুও অদম্য

এক পা অচল অন্যটিও দুর্বল তবুও অদম্য

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম