ধামরাইয়ে নারী বাবুর্চিকে ধর্ষণের অভিযোগ
ইটভাটার ম্যানেজার উধাও ভুক্তভোগীকে বিতাড়িত
Advertisement
ধামরাইল (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ধামরাইয়ে ইটভাটার নারী বাবুর্চিকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। বিচার চাওয়ায় ওই নারী বাবুর্চিকে রোববার রাতের আঁধারে ইটভাটা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ অভিযোগ যৌথ মালিক মো. আব্দুর রশিদ ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ওই নারী বাবুর্চির বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায় বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই নারী বাবুর্চি ওই ইটভাটায় যোগদানের পর থেকেই ভাটার ম্যানেজার সাদ্দাম হোসেন নানাভাবে উত্তপ্ত এবং প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হয়ে ওই নারী বাবুর্চি ইটভাটার যৌথ মালিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও আব্দুর রশিদকে বিষয়টি অবহিত এবং বিচার প্রার্থনা করেন। এতে তারা কর্ণপাত না করে বিষয়টি ধামাচাপা দেন। এরপর সুযোগ বুঝে কয়েক দিন আগে ওই নারী বাবুর্চিকে মুখ চেপে ধরে ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করে। তার ডাক চিৎকারে ঘটনাটি জানাজানি হয় ওই ইটভাটার শ্রমিকসহ সর্বমহলে। ওই নারী বাবুর্চি আবারও পূর্বের ন্যায় ওই দুই মালিকের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন ওই ম্যানেজার সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে। এতে ওই দুই মালিক কোন পদক্ষেপই না নিয়ে উল্টো ওই নারী বাবুর্চিকে গালাগালি করেন।
এ ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে ধামরাই উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান এবং বিচারের জন্য ওই দুই মালিককে চাপ সৃষ্টি করেন। ইটভাটার মালিকদ্বয় বিচার করা তো দূরের কথা উল্টো রোববার রাতে ওই নারী বাবুর্চিকে ওই ইটভাটা থেকে তাড়িয়ে দেন। অপরদিকে ওই ইটভাটার ম্যানেজার মো. সাদ্দাম হোসেনকে অন্যত্র লুকিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এক ঘটনায় ওই দুই মালিক জানান, আমরা বিচার করার আগেই ধর্ষক ও ধর্ষিতা নিজেদের মধ্যে আপস করে ইটভাটা ছেড়ে চলে গেছে। আমরা তাদের ইটভাটা থেকে তাড়িয়ে দেইনি।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি অপারেশন দেবাশীষ সানা বলেন, অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
