প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার জের
আলমডাঙ্গায় চপ বিক্রেতাকে হত্যা
Advertisement
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আলমডাঙ্গায় এক চপ-পেঁয়াজু বিক্রেতাকে হত্যার পর লাশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে হাসপাতালে। মঙ্গলবার বিকালে একটি ভ্যানে করে তার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। নিহত চয়েন আলী উপজেলার হারদী গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন চপ-পেঁয়াজু বিক্রেতা ছিলেন। পার্শ্ববর্তী ওসমানপুর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে কৌশলে তাকে ডেকে হত্যা করা হয় বলে পরিবারের লোকজনের অভিযোগ। এ ঘটনার পর অভিযুক্তরা সপরিবারের বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপন করেছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গার হারদী গ্রামের চয়েন আলী পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন পার্শ্ববর্তী ওসমানপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে লাবনী খাতুনের সঙ্গে। লাবনীর স্বামী হেলাল হোসেন মালয়েশিয়া থেকে ১৫-২০ দিন আগে দেশে ফেরেন এবং বিষয়টি জানার পর ক্ষুব্ধ হন। তিনি মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কৌশলে চয়েন আলীকে ওসমানপুর গ্রামে ডেকে নেন এবং শারীরিক নির্যাতন করেন। পরে চয়েন আলীর ছেলে ফারুক হোসেনকে মোবাইলে ডাকেন প্রবাসী হেলাল হোসেন। ছেলে ফারুককে জানানো হয়-তোর বাবার কাছে আমি টাকা পাই।
তোর বাবা আমার এখানে আটক আছে, তুই ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প নিয়ে চলে আয়। ফারুক জানান, ‘আমরা স্ট্যাম্প নিয়ে ওসমানপুরে গেলে তারা জানায়, চয়েন মারা গেছে। পরে তারা বেলা সাড়ে ৩টার দিকে একটি ভ্যানযোগে লাশ আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়। আমার বাবার গায়ে আঘাতের চিহ্ন আছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। এলাকার লোকজন জানায়, প্রবাসী হেলাল হোসেন শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন।
এ ঘটনার পর তারা সপরিবারে বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র সাহা জানান, ‘লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
