আবাদি জমিতে ময়লা ফেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব
বিরামপুরে ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যা
Advertisement
বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিরামপুরে আবাদি জমিতে ময়লা ফেলা নিয়ে কথা কাটাকাটির মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় দুই ভাই ও সঙ্গীরা মিলে ছোট ভাই মুকুলকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার থানায় মামলার পর পুলিশ একজনকে আটক করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
বিরামপুর পৌর এলাকার কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামে নিহতের স্ত্রী মাহমুদা বেগম জানান, ওই গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে তার স্বামী মুকুল হোসেনের আবাদি জমি রয়েছে। একই স্কুলে মুকুলের মেজো ভাই এটিএম শামসুজ্জামান সহকারী শিক্ষক হিসাবে চাকরি করেন। স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিফিনের উচ্ছিষ্ট, ছেঁড়া কাগজ ও ময়লা আবর্জনা জড়ো করে মুকুলের ধানের জমিতে ফেলার কারণে খেতের ক্ষতি হওয়ায় শিক্ষকদের বিষয়টি জানাতে তার স্বামী সোমবার স্কুলে যান। এ সময় মুকুলের মেজো ভাই ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক এটিএম শামসুজ্জামান মুকুল ও তার স্ত্রীকে ধমক দিলে বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। মুকুল ও তার স্ত্রী সেখান থেকে ফিরে এলেও শিক্ষক এটিএম শামসুজ্জামান ঘটনাটি তার আত্মসম্মানের হানি করেছে বলে তার বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন ও দেলোয়ারের ছেলে দিনারসহ পরিবারের অন্যদের মুকুলে প্রতি ক্ষেপিয়ে তোলেন। সোমবার রাতে মুকুল ও তার স্ত্রী বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় বড় ভাই এটিএম শাসুজ্জামানসহ তার সংঘবদ্ধ দল মুকুলকে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় মুকুলের স্ত্রী মাহমুদাকেও মারধর করা হয়। স্থানীরা মুমূর্ষু অবস্থায় মুকুলকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
