পাইকগাছায় দোকানে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম
Advertisement
জিএম মিজানুর রহমান, পাইকগাছা (খুলনা)
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পাইকগাছায় ১১টি পোস্ট অফিসের নিজস্ব কোনো জায়গা না থাকায় যুগ যুগ ধরে কার্যক্রম চলে আসছে পোস্ট মাস্টারের বাড়ি বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মোট পোস্ট অফিস ২৮টি। এরমধ্যে উপজেলা পোস্ট অফিস পৌর সদরে অবস্থিত। সাব-পোস্ট অফিস দুটি। যা কপিলমুনি ও গড়ুইখালী ইউনিয়নে অবস্থিত। ইডিই সাব-পোস্ট অফিস ৩টি। যেগুলো গদাইপুর, কাঠিপড়া ও চাঁদখালীতে অবস্থিত। অন্যগুলো শাখা পোস্ট অফিস। শাখা পোস্ট অফিসগুলোর অধিকাংশরই নিজস্ব কোনো জায়গা না থাকায় সেগুলোর কার্যক্রম চলে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। যুগ যুগ ধরে এভাবে চলে আসছে। পোস্ট মাস্টার বা পিয়ন পরিবর্তন হলেও নিজস্ব কার্যালয়ের কোনো ব্যবস্থা কোনো সরকার করেনি। শাখা পোস্ট অফিসের মধ্যে হরিঢালী ইউনিয়নের হরিঢালী, মামুদকাটি ও রামচন্দ্র নগর-৩টি অফিসের মধ্যে রামচন্দ্র নগর পোস্ট অফিসের কার্যক্রম চলে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে। কপিলমুনি ইউনিয়নের ৪টির মধ্যে কাসিম নগর শাখা পোস্ট অফিসের কার্যক্রম চলে পোস্ট মাস্টারের পাটের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। ৩নং লতা ইউনিয়নের দুটির মধ্যে সচিয়ারবন্দ অফিসের কার্যক্রম চলে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে। দেলুটি ইউনিয়নের দারুনমল্লিক ও আলোক দ্বীপ পোস্ট অফিসের কাজ চলে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে। সোলাদানা ইউনিয়নের ৩টির মধ্যে বেতবুনিয়া ও আমুরকাটা পোস্ট অফিসের কাজ চলে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে। লস্কর ৭নং গদাইপুর ও চাঁদখালীর সবকটি পোস্ট অফিসের কাজ স্বাভাবিকভাবে নিজস্ব অফিসে চলছে। রাড়ুলী ইউনিয়নে ৩টির মধ্যে বাঁকা বাজারের পোস্ট মাস্টার আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি ৪/৫ বছর চাকরি করছেন। এর আগে তার বাবা আলতাপ হোসেন ৬০০ টাকা বেতন থেকে কাজ করে অবসরে গেছেন। তারপর একটা নিজস্ব কার্যালয় হয়নি। অফিসের কাজ চলে ওষুধের দোকানে। গড়ইখালী ৪টির মধ্যে বগুড়ার চক ও কুমখালীর পোস্ট অফিসের কাজ চলছে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে।
