উলিপুরে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা
গৌরনদী ও রায়পুরে দুই লাশ উদ্ধার
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
উলিপুরে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শাশুড়ি পলাতক রয়েছেন। এদিকে গৌরনদী ও রায়পুরে দুই বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর : কুড়িগ্রামের উলিপুরে বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের নামারচর এলাকায় স্বামীর বাড়ির শয়নকক্ষের বিছানা থেকে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী আলমগীর হোসেন ও শাশুড়ি পলাতক রয়েছেন। মৃত নিলুফা ইয়াসমিন ওই এলাকার আলমগীর হোসেনের স্ত্রী এবং একই ইউনিয়নের দোলন গ্রামের নুর ইসলামের মেয়ে। স্থানীয়দের ধারণা, গৃহবধূকে হত্যার পর বাড়ির লোকজন আত্মগোপনে চলে যান। জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে নিলুফার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। বুধবার রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয় বলে জানা গেছে। বরিশালের গৌরনদীতে বসতঘর থেকে আব্দুল খালেক খন্দকার নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বিল্বগ্রাম এলাকার নিজ বসত ঘরের দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানান, খালেক খন্দকার প্রতিদিন বিল্বগ্রাম বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি সরবরাহ করতেন। গত সোমবার সর্বশেষ ওই বাজারে পানি সরবরাহ করে বাড়িতে ফিরে গিয়ে আর বাজারে আসেননি। বুধবার রাতে তার বসত ঘরের পাশ দিয়ে স্থানীয়রা যাওয়ার সময় দুর্গন্ধ পান। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে খালেক খন্দকারের লাশ উদ্ধার করে। খালেকের এক ছেলে ও এক মেয়ে ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন। স্ট্রোক করে তিনি মারা গেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের এক দিন পর তোফায়েল আহমেদ নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রাখালিয়া গ্রামের মিন্নাত উল্লাহ ব্যাপারী বাড়ির পাশের একটি সুপারি বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত তোফায়েল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। মৃতের ছেলে রাসেল আহমেদ বলেন, বুধবার বিকাল থেকে তার বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
