নওগাঁয় সিজারের পর যমজ সন্তানের একজন গায়েব!
থানায় অভিযোগ বাবার
নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নওগাঁয় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর যমজ নবজাতকের একজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার অভিযোগ উঠেছে ডা. মাহফুজা খাতুনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর নওগাঁ শহরের বেসরকারি বলাকা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে আর্থিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করছেন নবজাতকের বাবা শান্ত ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে প্রসূতি শান্তনা আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশনের পর এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী প্রসূতি শান্তনা আক্তার নওগাঁ শহরের কালীতলা এলাকার বাসিন্দা।
প্রসূতির পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রসূতি শান্তনা আক্তারকে যমজ সন্তানের বিষয়ে পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য ডা. মাহফুজা খাতুনকে দেখানো হয়েছে। তিনি চেকআপ করে দ্রুত সিজার করতে হবে বলে জানান। তার কথামতো বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের স্টার্ফ কোয়ার্টার এলাকায় অবস্থিত বলাকা ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। ওইদিন রাত ৮টার দিকে প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। শান্তনা আক্তার সিজারের আগেও গর্ভে দুটি সন্তানের কথা জানতেন। কিন্তু সিজারের পর একটা মেয়ে সন্তানকে দেখানো হয়। এ সময় প্রসূতিকে বিভিন্ন ভয়ভীতিও দেখানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
একটি নবজাতক হস্তান্তর করার পর অপর নবজাতকের বিষয়ে জানতে চাইলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সন্তানটির বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি। বরং বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তাকে আর্থিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন নবজাতকের বাবা।
বলাকা ক্লিনিকের মালিক এনামুল হক বলেন, ওই প্রসূতি ডা. মাহফুজা খাতুনের পরামর্শে এখানে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি নিজে অপারেশন করেছেন। বাচ্চা একটি, না দুটি ওই ডাক্তার বলতে পারবেন। আমরা কিছু জানি না।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মাহফুজা খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি নন।
নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, বিষয় নিয়ে নবজাতকের বাবা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
