প্রজ্ঞা-আত্মার প্রতিক্রিয়া
তামাকের সহজলভ্যতা বাড়বে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম খুবই সামান্য বাড়ানো হয়েছে। বিড়ি, গুল, জর্দার দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি হিসাবে আনলে এসব তামাকপণ্যের প্রকৃত দাম কমে যাবে। সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা কমানো, সুনির্দিষ্ট শুল্কের প্রচলনসহ কর কাঠামোয় কোনো ধরনের সংস্কার আনা হয়নি। এ বাজেট পাশ হলে তামাকের ব্যবহার, তামাক ব্যবহারজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যু বাড়বে। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির সুযোগ হাতছাড়া হবে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) এসব কথা বলেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাজেটে নিম্নস্তরের প্রতি প্যাকেট ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেট কার্যকর হলে এ স্তরে সিগারেটের দাম বাড়বে মাত্র ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যা ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির তুলনায় অনেক কম। ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রকৃত দাম ব্যাপকভাবে কমবে এবং তরুণ ও নিম্নআয়ের জনগণের মধ্যে কম দামি সিগারেটের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়বে। বর্তমানে সিগারেট বাজারের প্রায় ৭৫ শতাংশই নিম্নস্তরের দখলে এবং যার প্রধান ভোক্তা মূলত দরিদ্র ও তরুণ জনগোষ্ঠী। প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যমস্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা (১৫ শতাংশ), উচ্চ স্তরে ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা (১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ) এবং প্রিমিয়াম বা অতি উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ (১৩ দশমিক ৫১ শতাংশ) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দাম বৃদ্ধি নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির তুলনায় খুবই সামান্য।
