মুক্তাগাছায় সেপটিক ট্যাংকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ
বাগবিতণ্ডার প্রতিশোধ নিতে রাফিকে হত্যা
Advertisement
মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পাখির বাসা থেকে বাচ্চা এনে দেওয়া হবে। এই প্রলোভন দেখিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্র আন্দালিব সাদমান রাফিকে ডেকে নেয় প্রতিবেশী খোকন। এরপর হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। শুক্রবার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার বাঁশটি ইউপির লাঙ্গুলিয়া জমিনপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে খোকন। এরপর শনিবার বিকালে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
রাফির বাবার নাম জহিরুল ইসলাম। সে উপজেলার রেসিডেন্সিয়াল মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। ঘাতক খোকন তাদেরই প্রতিবেশী বারেকের ছেলে। রাফি শুক্রবার জুমার নামাজের পর নিখোঁজ হয়। তাকে খুঁজে না পেয়ে জহিরুল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ সন্দেহভাজন খোকনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যারহস্য উন্মোচন হয়। খোকন জানায়, রাফির বাবার সঙ্গে মাসখানের আগে তাদের পরিবারের লোকজনের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর প্রতিশোধ নিতেই তাকে হত্যা করা হয়। মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, এই হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
