Logo
Logo
×

Advertisement

নগর-মহানগর

সিলেটে ৪ বছরের শিশু খুন

ফাহিমাকে হত্যার পর নাটক সাজায় জাকির

Advertisement

Icon

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ফাহিমাকে হত্যার পর নাটক সাজায় জাকির

Advertisement

সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে হত্যার পর ঘাতক জাকির ও তার পরিবার নানা নাটকীয়তার আশ্রয় নিয়েছিল। পরিবারের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতেই নাটক সাজানো হয়। ফাহিমার চাচা ইমাম আহমদের বক্তব্যে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে ফাহিমাকে হত্যার পর লাশ গুম করা হয়। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক জাকিরকে ১১ মে রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ইমাম আহমদ জানান, পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে জাকিরের ভাই ও মা প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছিলেন। ঘটনার পর জাকিরের মা, ভাই ও ভাবি তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। তারা সবকিছুই জানতেন। প্রতিদিন সকালে জাকিরের মা চা খেতে আসতেন। অপরাধ আড়াল করতে পুরো পরিবার একের পর এক অভিনব নাটক সাজায়। সন্দেহ এড়াতে ঘাতক জাকির খুবই নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত ডোবায় নেমেছিলেন। ইমাম আরও জানান, জাকিরের বড় ভাই জয়নাল তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়া সত্ত্বেও পুরো ঘটনা চেপে যান। ফাহিমার স্বজনদের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে তাদের কালেঙ্গা পাহাড়, শাহজালালের দরগাহ, ডলিয়াসহ বিভিন্ন দূরবর্তী স্থানে জয়নাল সুকৌশলে খোঁজাখুঁজির পরামর্শ দেন। নিজেও তাদের সঙ্গে ঘোরেন।

ইমাম আহমেদ জানান, জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সন্দেহের পর জাকিরের খোঁজ জিজ্ঞাসা করলে জয়নাল প্রথমে মিথ্যা তথ্য দেন। এর কিছুক্ষণ পর জয়নাল নিজের ঘরে গিয়ে তার মাকে ধমক দিয়ে বলেন, তাদের চোখের সামনে থাকতে বলা সত্ত্বেও জাকির কেন ঘরের ভেতর ঘুমাচ্ছে। এ কথোপকথন শুনে তিনি (ইমাম) তাৎক্ষণিক ওসিকে বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর পুলিশ জাকিরকে গ্রেফতার করে। এরপরই বাড়ির মাত্র ১০০ গজ দূরের এক বাথরুমের পাশে ফাহিমার লাশ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, জাকির একা খুন করলেও তার ভাই, মা ও ভাবি লাশ গুম করতে এবং তাকে আড়াল করতে সাহায্য করেছেন। জাকিরের পুরো পরিবারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব জানান, মামলার আসামি জাকির হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যার আগে শিশু ফাহিমাকে সিগারেট আনতে পাঠানো দোকানের দোকানির ও জবানবন্দি আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে। এসব জবানবন্দি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না জানার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

পদ্মা নদী থেকে বিএনপি নেতাদের বালু উত্তোলন ক্ষমতার দম্ভে বেপরোয়া

ক্ষমতার দম্ভে বেপরোয়া

ডেঙ্গুবাহক এডিস শনাক্ত করবে ঢাবির ‘স্মার্ট ফাঁদ’

ডেঙ্গুবাহক এডিস শনাক্ত করবে ঢাবির ‘স্মার্ট ফাঁদ’

চট্টগ্রামে ডেঙ্গুরোগী বৃদ্ধি ফার্মেসিতে মিলছে না ডিএনএস স্যালাইন

ফার্মেসিতে মিলছে না ডিএনএস স্যালাইন

চট্টগ্রামে পরিবহণ ভাড়া দ্বিগুণ চালসহ নিত্যপণ্যের খরচ বেড়েছে

চালসহ নিত্যপণ্যের খরচ বেড়েছে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম