ইউএনওকে কোপানোর হুমকি, ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদল নেতা
Advertisement
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীর তালিকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকে রাখা নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) কোপানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকির একাধিক ভডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এসব ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ। তিনি জানান, হুমকির একাধিক ভিডিও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। তারা আইনি পদক্ষেপ নেবে। বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ভিডিও পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে ফেসবুকে একাধিক স্ট্যাটাস ও ভিডিও পোস্ট দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেদোয়ান তালুকদার।
এ বিষয়ে জানতে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি।
এদিকে হুমকির ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মো. রেদোয়ান তালুকদার ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষমা চান। ফেসবুকে তিনি লেখেন, আইন সবার ঊর্ধ্বে, আইন সমাজকে রক্ষা করে, অপরাধ কমায় এবং সবার অধিকার নিশ্চিত করে। এ সময় তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেন।
এতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রিয় দেশবাসী-গত ১৩ তারিখ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম সাথী আপুর সঙ্গে ঘটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’ এর আগে তিনি একই বক্তব্য একাধিকবার নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন।
সম্প্রতি ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসন। এ তালিকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের একাধিক নেতার নাম আসে। এতে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ। ১৩ আগস্ট ইউএনও কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে।
