Logo
Logo
×

Advertisement

নগর-মহানগর

সেমিনারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। এ জন্য আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দরকার। আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় এবং সংশ্লিষ্ট সব দেশের সহযোগিতায় চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। রোববার রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে ‘রোহিঙ্গা সংকট : টেকসই প্রত্যাবাসন ও আঞ্চলিক স্থায়ী সমাধানের উপায়’ শীর্ষক সেমিনার শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (এফএসডিএস) সেমিনারের আয়োজন করে। সভাপতিত্ব করেন এফএসডিএস-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজল এলাহী আকবর।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য কেবল বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; বরং চীন, আসিয়ান, জাতিসংঘ, জাপানসহ সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে কৌশলগত আঞ্চলিক জোট ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা প্রয়োজন। আমরা নতুনভাবে জাপান সরকারকে অনুরোধ করেছি, চাইনিজ সরকারকেও আমরা অনুরোধ করেছি। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে।

এর আগে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবারই মিয়ানমারের পরিস্থিতি জানা আছে, কেবল দুটি জায়গায় আইনের ডি জুরি সরকার রয়েছে এবং বাকি সমস্ত জমি এএ (আরাকান আর্মি)-এর দখলে। আমাদের তাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করতে হবে। কিন্তু ডি জুরি ও ডি ফ্যাক্টো (বাস্তবভিত্তিক)-উভয়পক্ষের বৈদেশিক নীতিই তাদের (রোহিঙ্গা) ফিরিয়ে নিতে ইচ্ছুক নয়। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তা সত্ত্বেও জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আমরা সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট কেবল একটি মানবিক সমস্যা বা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়; এটি জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াতে কেবল ক্যাম্পগুলোর ওপরই চাপ নয়, এর পাশাপাশি অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও চাপ রয়েছে।

অধ্যাপক এএসএম আলী আশরাফ মিয়ানমার ও রাখাইনের পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বাস্তবতার ওপর একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন। অধ্যাপক শাহাব এনাম খান রাখাইনের উন্নয়ন, যোগাযোগ ও প্রত্যাবাসন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাফাআত আহমেদ আঞ্চলিক কূটনীতি ও বাংলাদেশের কৌশলগত বিকল্পসমূহ নিয়ে আলোচনা করেন। সেমিনারে দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সার ডিলার নিয়োগ ঘিরে ক্ষোভ-অভিযোগ ডিলারশিপ না পেয়ে ‘গুডবাই’ যুবদল নেতাকে অব্যাহতি

ডিলারশিপ না পেয়ে ‘গুডবাই’ যুবদল নেতাকে অব্যাহতি

সাইলো থেকে চাঁদা ছাড়া ট্রাক বের হতে দিচ্ছে না সন্ত্রাসীরা

সাইলো থেকে চাঁদা ছাড়া ট্রাক বের হতে দিচ্ছে না সন্ত্রাসীরা

রাজশাহীতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি বিকল্প জ্বালানিতে ঝুঁকছে মানুষ

বিকল্প জ্বালানিতে ঝুঁকছে মানুষ

সেমিনারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম