হাটহাজারী মাদ্রাসা
নতুন অভিভাবক কে এই মাওলানা ইয়াহইয়া
Advertisement
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
উপমহাদেশের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ দ্বীনি শিক্ষা নিকেতন দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মাওলানা ইয়াহইয়া আলমপুরী ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার আলমপুরে জন্মগ্রহণ করেন। বুধবার সকাল ১০টায় আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হাটহাজারী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটি মজলিশে শূরার বৈঠকে মুফতি আব্দুচ্ছালাম চাটগাঁমীকে পরিচালক ও মাওলানা ইয়াহইয়াকে সহকারী পরিচালক ঘোষণা করে। ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই সদ্য নিযুক্ত মুফতি আব্দুচ্ছালাম ইন্তেকাল করায় মজলিশে শূরা মাওলানা ইয়াহহিয়াকে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ঘোষণা করেন।
প্রাথমিক শিক্ষা : মাওলানা ইয়াহইয়া ১০ বছর বয়সে হাটহাজারী মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের শিক্ষক কারী নুরুল হকের কাছে শুরু করে ১৯৭৩ সালে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) সমাপ্ত করেন। তার শিক্ষকরা হলেন-মুফতি আজম ফয়জুল্লাহ, শায়খুল হাদিস আল্লামা আব্দুল আজীজ (রহ.), আল্লামা আব্দুল কাইয়ুম, মুফতি আহমদুল্লাহ, মাওলানা হামেদ, আল্লামা নাদেরুজ্জাম, মাওলানা ইব্রাহীম আলমপুরী, শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী প্রমুখ।
কর্মজীবন : ১৯৭৩ সালে তিনি শিক্ষা জীবন শেষ করে হাটহাজারীর গড়দুয়ারা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। গড়দুয়ারা মাদ্রাসায় ১০ বছর শিক্ষকতার পরে তিন বছর মাদার্শা মাদ্রাসা ও হাজী ইউনুস সাহেব (রহ.) প্রতিষ্ঠিত ইছাপুর ফয়জিয়া তাজবিদুল কুরআন মাদ্রাসায় ছয় বছর শিক্ষকতা করেন। হাটহাজারী মাদ্রাসার মজলিশে শূরার ডাকে ১৯৯১ সালে উম্মুল মাদারিস খ্যাত হাটহাজারী মাদ্রাসায় যোগ দেন।
শিক্ষকতার শুরু থেকে আজ অবধি তার মেধা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা দিয়ে দক্ষতার সঙ্গে উর্দুখানা থেকে তাফসির জামাত পর্যন্ত সব বিভাগের বিভিন্ন কিতাবের পাঠদান করে আসছেন। ২০২০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত মজলিশে শূরার বৈঠকে মসলিশে এদারির (মাদ্রাসা পরিচালনা বোর্ড) সদস্য নির্বাচিত হন।
খেলাফত লাভ : হাটহাজারী মাদ্রাসায় অধ্যায়নকালে শুধু জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই তৃপ্ত হননি বরং আধ্যাত্মিক সাধনার জন্যও অস্থির ছিলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তাসবিহ তাহলিল আদায়ে সুষ্ঠু নিয়ম, উন্নত চরিত্রের অধিকারী, ইখলাস ও আমল-আখলাক দেখে শায়খুল ইসলাম হযরত হুসাইন আহমদ মাদানীর (রাহ.) খলিফা আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) চার তরিকার খেলাফত দান করে বাইয়াত ও মুরিদ করার অনুমতি প্রদান করেন।
