সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন
কিশোরগঞ্জের নারী নেত্রীদের জোর লবিং
এটিএম নিজাম, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেতে কিশোরগঞ্জের অন্তত একডজন নেত্রী ঢাকায় দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। যোগাযোগ রাখছেন সদ্য বিজয়ী সংসদ- সদস্যদের সঙ্গেও।
মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন-দশম সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ-সদস্য ও কিশোরগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলারা বেগম আসমা, সংরক্ষিত আসনের বর্তমান সংসদ-সদস্য যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জাকিয়া পারভীন মনি, কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তানিয়া সুলতানা হ্যাপি, কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা মহিলা সংস্থার সভাপতি মানছুরা জামান নতুন, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য শায়লা পারভীন সাথী, কৃষক লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ গোলসান আরা বেগম, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস বেগম, বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদের সভাপতি কোহিনুর আফজল, জেলা উইম্যান অব চেম্বারের সভাপতি ফাতেমাতুজ জহুরা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি ফৌজিয়া জলিল নেন্সি, জেলা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি শাহীন সুলতানা ইতি ও তাসলিমা খাতুন সুইটি।
সংরক্ষিত আসন নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মতামত হলো-‘দলের দুর্দিনে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটারদের কেন্দ্রে নিতে যারা নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা চালিয়ে নির্বাচন সফল করেছেন এমন নেত্রীদের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেওয়া হোক।’ কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান জানান, সব নারী নেত্রীই সংরক্ষিত আসনের প্রত্যাশা করতে পারেন। সংসদ-সদস্যের পদটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে লবিংয়ের চেয়ে যোগ্যতা, ভূমিকা ও ত্যাগকেই সাধারণত বিবেচনা করা হয়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ। তার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও বিচক্ষণতায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। সুতরাং যোগ্য যারা তাদেরকেই যে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসন উপহার দেবেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
