পিএসসির আলোচিত প্রশ্নফাঁসের সাতকাহন
ড্রাইভিং সিটে ছিলেন আবেদ আলী
Advertisement
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সরকারি চাকরিতে সবচেয়ে লোভনীয় ও সম্মানজনক অবস্থান ‘ক্যাডার সার্ভিস’। লাখ লাখ উচ্চশিক্ষিত চাকরিপ্রার্থীদের প্রায় সবারই স্বপ্ন থাকে বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে পছন্দের ক্যাডার সার্ভিসে চাকরি পাওয়া। তা না হলে নিদেনপক্ষে যে কোনো ক্যাডারে যোগদান। বিপত্তি ঘটলে পরের পছন্দ থাকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে প্রবেশ।
অথচ ‘সোনার হরিণ’ নামক এই চাকরিতে কেউ কেউ মেধা ও যোগ্যতা ছাড়াই ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করেই নিয়োগ পেয়েছেন, যা রীতিমতো অবিশ্বাস্য এবং অনেকের কাছে কল্পনার বাইরে। কিন্তু বাস্তবতা হলো-সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) একটি সংঘবদ্ধ চক্র অনেক আগে থেকে ভয়াবহ এই অপকর্মে হাত পাকিয়েছে।
একশ্রেণির প্রভাবশালী রাজনীতিক ও আমলার ছত্রছায়ায় তারা অনেকটা নির্বিঘ্নে এই অপরাধ করেও পার পেয়েছেন। আর এই সিন্ডিকেটের হোতা আবার পিএসসির একজন সাধারণ গাড়িচালক। নাম আবেদ আলী জীবন। মূলত যিনি ছিলেন বহুল আলোচিত প্রশ্নফাঁসচক্রের ড্রাইভিং সিটে।
সম্প্রতি এর আদ্যোপান্ত বেরিয়ে এসেছে এ সংক্রান্ত মামলার চার্জশিটে। দীর্ঘ তদন্তের ভিত্তিতে ১৮ মে আদালতে জমা দেওয়া ৪১ পৃষ্ঠার চার্জশিটের পরতে পরতে রয়েছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য। আলোচিত মামলাটি ২০২৪ সালের ৯ জুলাই রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, চক্রটি শুধু প্রশ্নফাঁসেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং প্রশ্ন-অর্থ ও প্রার্থী সংগ্রহকারী এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভেতরের তথ্যদাতাদের সমন্বয়ে একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়।
তদন্তে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় পুলিশ এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি। তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, এ তালিকায় অনেকেই আছেন, যারা ছিলেন সরাসরি পরীক্ষার্থী।
৫৫ সদস্যের চক্রে যারা: চার্জশিটে প্রশ্নফাঁসচক্রের মূল হোতা হিসাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনকে। তার নেতৃত্বে পরিচালিত ৫৫ সদস্যের চক্রে ছিলেন পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, ব্যবসায়ী, ছাত্র এবং পরীক্ষার্থী সংগ্রহকারী দালালচক্রের সদস্যরা।
এর মধ্যে গ্রেফতার ৩৬ আসামি হলেন-পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী, মো. নোমান সিদ্দিক, মো. খলিলুর রহমান, পিএসসির অফিস সহায়ক সাজেদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আবু সোলেমান মো. সোহেল, জাহাঙ্গীর আলম, এসএম আলমগীর কবীর, প্রতিরক্ষা ও অর্থ বিভাগের অডিটর প্রিয়নাথ রায়, মো. জাহিদুল ইসলাম, পিএসসির উপপরিচালক (ডিডি) মো. আবু জাফর, মো. শাহাদত হোসেন, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. মামুনুর রশিদ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান নিয়ামুল হাসান, ব্যবসায়ী মো. সাখাওয়াত হোসেন, সাইম হোসেন, ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থী লিটন সরকার, আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, পিএসসির সাবেক সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়, মো. শরীফুল ইসলাম ভূঁইয়া, দীপক বণিক, মো. খোরশেদ আলম খোকন, কাজী মো. সুমন, একেএম গোলাম পারভেজ, মেহেদী হাসান খান, মো. মিজানুর রহমান, আতিকুল ইসলাম, এটিএম মোস্তফা, মাহফুজ কালু, মো. আসলাম হোসেন, কৌশিক দেবনাথ, মোজাহিদুল ইসলাম, মজনু মিয়া, মোহাম্মদ আকরাম হোসেন, মো. আব্দুল আজিম, রুপন চন্দ্র দাস ও মাহামুদ হাসান মান্না।
পলাতক ১৯ আসামি হলেন-সুমন কুমার বসু, বিপাশ চাকমা, মো. দেলোয়ার হোসাইন, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান দিপু, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. আল মামুন, মো. আনিছুর রহমান, মো. ওয়াসিম খান, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ফেরদৌস আহম্মদ, মো. মান্নান উদ্দিন, মো. আশরাফুল আলম, জাহিদুল সরদার, মো. সোহেল পারভেজ, মো. জুয়েল আল মামুন, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. রুবেল শরীফ, শাকের আহমেদ আল-আমিন এবং এম এম নাজমুল হাসান। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় চার্জশিটে ৩১তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামি মো. গোলাম হামিদুর রহমান, হামিদুল ইসলাম জিয়া, মো. মাহাবুব আলম এবং আজাদ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা যায়নি।
তদন্তে উঠে এসছে, পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নসহ উত্তর পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে এনে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। এরপর পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো। বিনিময়ে তারা মোটা অঙ্কের টাকা আগাম নিয়ে নিতেন। চক্রটির বিস্তার ছিল দেশের বিভিন্ন জেলায়। এতে সরকারি চাকরিজীবী, পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ যুক্ত ছিল বলে তদন্তে জানা গেছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটি বিজি প্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি এনজিও পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
তদন্ত কর্মকর্তার মতে, প্রশ্নফাঁস কার্যক্রম পরিচালনায় সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিল এবং তারা পরীক্ষার গোপনীয়তা ভেঙে রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। চার্জশিটে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩-এর ১১ ও ১৫ ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে এই আইনে।
চক্রের কয়েকজন সদস্যের নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সেই সম্পদের উৎস যাচাই এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের অনুসন্ধানে পৃথক উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি নিয়ে পৃথক তদন্ত শুরু হলে প্রশ্নফাঁস বাণিজ্যের আর্থিক পরিধি সম্পর্কে আরও বিস্তৃত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, এ চক্রের কর্মকাণ্ড ছিল রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংঘটিত একটি সুপরিকল্পিত অপরাধ। আদালতে বিচার কার্যক্রম শুরু হলে প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যে থাকা আরও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর নাম সামনে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
কয়েকটি ধাপে কাজ করত চক্রটি : প্রথমে মাঠপর্যায়ের সদস্যরা চাকরিপ্রত্যাশী প্রার্থী খুঁজে বের করতেন। মূলত যারা যে কোনো মূল্যে চাকরি পেতে আগ্রহী, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হতো। এরপর পরীক্ষাভেদে কয়েক লাখ টাকায় চুক্তি করা হতো। পরবর্তী ধাপে প্রশ্ন সংগ্রহ করা হতো। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ ও প্যাকেজিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রশ্ন বাইরে বের করে আনার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট প্রার্থীদের ঢাকায় এনে নিরাপদ স্থানে থাকার ব্যবস্থা করতেন চক্রের সদস্যরা।
পরীক্ষার আগের রাতে তাদের হাতে প্রশ্ন ও উত্তর তুলে দেওয়া হতো। অনেক ক্ষেত্রে উত্তর মুখস্থ করানোর জন্য আলাদা তদারকি টিমও থাকত। সবশেষে পরীক্ষার দিন ভোরে প্রার্থীদের নিজ নিজ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। তদন্তে বলা হয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত গোপনীয় এবং স্তরভিত্তিক। একেকজন একেক দায়িত্ব পালন করতেন। ফলে চক্রের মূল নেতৃত্বকে শনাক্ত করা দীর্ঘ সময়ের তদন্ত ছাড়া সম্ভব ছিল না।
বিজি প্রেস থেকে প্রশ্ন বের করার ভয়ংকর কৌশল : তদন্তে উঠে এসেছে, বিজি প্রেসে কর্মরত মোহাম্মদ আকরাম হোসেন মন্ডল প্রশ্নপত্র প্যাকেজিংয়ের কাজে যুক্ত ছিলেন। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। প্রশ্নপত্র প্যাকেজিংয়ের সময় তিনি কখনো প্রশ্নপত্র বাথরুমে নিয়ে গিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি তুলতেন। পরে সেই কাগজ কমোডে ফ্লাশ করে দিতেন। আবার কখনো প্রশ্নপত্র অন্তর্বাসের মধ্যে লুকিয়ে বাইরে নিয়ে যেতেন। তদন্তে আরও বলা হয়েছে, বিজি প্রেসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মজনু মিয়াও পরবর্তী সময়ে এ কাজে যুক্ত হন। তারা বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার সব সেটের প্রশ্ন সংগ্রহ করে চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে সরবরাহ করতেন।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশ্নফাঁসচক্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর ছিল এ অংশ। কারণ, প্রশ্ন বাইরে বের না হলে পুরো নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয়ে পড়ত।
এনজিও আবাসনে ‘প্রশ্নফাঁস ক্যাম্প’ : তদন্তে আলোচিত তথ্যগুলোর একটি হলো মোহাম্মদপুরের দুটি আবাসনকেন্দ্র।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, পলাতক আসামি আল মামুন ‘ইউএসটি’ ও ‘পদক্ষেপ’ নামের দুটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের আবাসন ভাড়া নিতেন। সেখানে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার দুই দিন আগে এনে রাখা হতো।
জব্দ করা রেজিস্টার, মানি রিসিট, ব্যাংক স্লিপ এবং অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, পরীক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া এবং গোপন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, শুধু একটি নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আবাসন ও খাবার বাবদ ৪ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। অন্য একটি ঘটনায় পাওয়া গেছে ৫০ হাজার টাকার লেনদেনের প্রমাণ।
বিসিএসসহ সব পরীক্ষায়ই ছিল একই কৌশল : তদন্তে উঠে এসেছে, সব পরীক্ষাতেই একই কৌশল অবলম্বন করত চক্রটি। চার্জশিটে বলা হয়েছে, ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আগেও প্রার্থীদের আবাসনে এনে রাখা হয়েছিল। তাদের প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করা হয়েছিল বলে সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে একাধিক পরীক্ষার্থীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছে সিআইডি। জব্দ করা রেজিস্টারে তাদের অবস্থানের তথ্যও মিলেছে। তদন্তকারীদের মতে, এ তথ্য প্রমাণ করে যে চক্রটি দীর্ঘদিন বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষাকে লক্ষ্য করে কাজ করেছে।
চালক থেকে ‘নিয়োগ বাণিজ্যের সম্রাট’ আবেদ আলী : তদন্তে সরাসরি ৫৫ জনের নাম এলেও কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সৈয়দ আবেদ আলী জীবন। বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের সমন্বয়, প্রার্থী সংগ্রহ, অর্থ বণ্টন এবং প্রশ্ন সরবরাহের পুরো নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। প্রশ্নফাঁস থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে তিনি ও তার সহযোগীরা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অন্যান্য সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। প্রশ্নফাঁসচক্রের আর্থিক লেনদেন এবং সম্পদ অর্জনের বিষয়টি এখন আলাদা করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বৈধ খাতে স্থানান্তর এবং সম্পদে রূপান্তরের অভিযোগে অন্তত ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং অনুসন্ধান চলছে। সিআইডির আবেদনের পর এ বিষয়ে পৃথক অনুসন্ধানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, প্রশ্নফাঁস থেকে অর্জিত অর্থ কোথায় গেছে, কার নামে সম্পদ হয়েছে, ব্যাংক হিসাবে কী ধরনের লেনদেন হয়েছে এবং অর্থ বিদেশে পাচারের কোনো তথ্য রয়েছে কি না। তদন্তসূত্রের দাবি, প্রশ্নফাঁস মামলার চেয়েও বড় তথ্য আসতে পারে এ অনুসন্ধান থেকে।

