Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

ফেসবুকে সন্ত্রাসী রায়হান

‘ওয়েট অ্যান্ড সি’

Advertisement

Icon

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

‘ওয়েট অ্যান্ড সি’

ফাইল ছবি

Advertisement

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে চট্টগ্রামে আবারও আলোচনায় এসেছেন পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. রায়হান। মঙ্গলবার তার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ স্ট্যাটাসের শেষে ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ লিখে শেষ করেছেন। আর এটি তার প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা সেই প্রতিপক্ষ সে তথ্য পাওয়া যায়নি। রায়হানের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বাড়ির মালিকদের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না দেওয়ায় গুলিবর্ষণের একাধিক ঘটনাও ঘটিয়েছে সে। রায়হান বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের অনুসারী। তিনি বড় সাজ্জাদের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অন্যতম সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পোস্টে রায়হান লেখেন, ‘হায়েনার দলগুলো ভাবে আমার লোকজন জেল-হাজতে বন্দি, আমি একা হয়ে গেছি। আমার খেলা শেষ। আহারে বেকুবের দল, সাজ্জাদ ভাইয়ের ‘সব অটো মাল’ একবার দেখিয়ে দিলে সবাই পুরোনোদের চাইতে ভয়ংকর হয়ে উঠবে। যা খেলার মাঠে পরিচয় পেয়েছ অনেকবার। ‘আপডেট’ পাবে অল্প কিছু দিনের মধ্যে। আমার মতো শত শত রায়হান সাজ্জাদ ভাইয়ের স্টোরে পড়ে আছে।’

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘সংখ্যায় লোক বাড়ানো পাবলিক আমি না, কাজে পরিচয় দেব। রাউজানের সব ডাকাত বাহিনী এক হয়েছে, এক সাথে অ্যাটাক করবে আমাকে। আরে ভাই, আমি ছোট একটা মানুষের জন্য যদি এত বড় আয়োজন করা লাগে, তোরা কিসের গুণ্ডা? কে কোন জায়গা থেকে আসে যায়, সব খবর আমার কাছে আছে। ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’।

সূত্র জানায়, বড় সাজ্জাদের দলের অন্যতম সদস্য ছিল ছোট সাজ্জাদ। তাকে গ্রেফতারের পর সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন এবং রায়হান আলোচনায় আসে। এর মধ্যে গত ২৯ জুলাই রাতে অভিযান চালিয়ে যশোর থেকে ইমনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই দিন মো. রায়হানকে গ্রেফতার করতে নোয়াখালীতেও অভিযান চালায় পুলিশ। তবে রায়হান পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রায়হানের নামে দেড় ডজন মামলা হয়েছে নগর ও জেলায়। বিশেষ করে গত বছর রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের ইশান ভট্টের হাটে বোরকা পরে এসে যুবদল নেতা মোহাম্মদ সেলিমকে গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হলে রায়হানের নাম আলোচনায় আসে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, সন্ত্রাসী রায়হানের পোস্টে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমরা ডেভিড ইমন, ধামা ইলিয়াসের মতো সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনছি। তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

এর আগে ডেভিড ইমনকে গ্রেফতারের পর গত ৩০ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছিলেন, ‘আমরা রায়হানকে প্রায় ধরেই ফেলেছিলাম। রায়হান কোনোভাবে ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে গেছে। তবে সে জাহান্নাম না দেখলেও দোজখ দেখে ফেলেছে।’ এরপর ৩ আগস্ট রায়হান তার একই ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে লেখেন, ‘দোজখ আর জাহান্নামে তফাত কী মাসুদ স্যার?’

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

কারিগরি শিক্ষার ‘৩২৯ স্বপ্ন’ থমকে দক্ষতার প্রদীপেই নিভুনিভু আলো

দক্ষতার প্রদীপেই নিভুনিভু আলো

রংপুর টাউন হল সার্ধশতবর্ষী স্মারক ধুঁকছে অবহেলায়

সার্ধশতবর্ষী স্মারক ধুঁকছে অবহেলায়

শিশু একাডেমিতে আজ আসছেন প্রধানমন্ত্রী বাইরে আলোকোজ্জ্বল ভেতরে অন্ধকার

বাইরে আলোকোজ্জ্বল ভেতরে অন্ধকার

সাবরেজিস্ট্রার পদে বদলি বাণিজ্যে ‘গুডবাই’

সাবরেজিস্ট্রার পদে বদলি বাণিজ্যে ‘গুডবাই’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম