Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

সফর নিয়ে বিএনপি নেতারা

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঐতিহাসিক ও বড় বিজয়

Advertisement

নূরে আলম জিকু

নূরে আলম জিকু

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঐতিহাসিক ও বড় বিজয়

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

জাপানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের এই সরকারি সফরে দুই দেশের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি সই হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের দুটি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় ২৯৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান।

এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে বেসরকারি খাতে ১৭টি বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্রকল্পের ঘোষণাও এসেছে। জাপানের শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তা ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে পাঁচটি অগ্রাধিকারমূলক খাতে সরাসরি ও বড় আকারের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।

আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশে জ্বালানি ও অবকাঠামো এবং আইসিটি খাতে ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রত্যাশা করা হয়েছে। এরমধ্য দিয়ে বাংলাদেশে দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এছাড়াও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশকে ৫০ বিলিয়ন ইয়েনের জরুরি ঋণ সহায়তার বিষয়েও এক মত হয়েছে উভয় দেশ।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের অর্জনগুলোকে ঐতিহাসিক হিসাবে উল্লেখ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর টোকিও পৌঁছান এবং ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে অত্যন্ত ইতিবাচক উল্লেখ করে রিজভী বলেছেন, ‘যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়, সমঝোতা চুক্তি ও অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে তা পূর্ণতা পেয়েছে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার ঐতিহাসিক বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগে থেকেই চমৎকার ছিল, তবে এই সফরের মধ্য দিয়ে তা আরও বেশি সম্প্রসারিত ও সুদৃঢ় হলো।’ সব মিলিয়ে এই সফল আয়োজন ও প্রাপ্তিকে তারেক রহমানের এক অসাধারণ কূটনৈতিক বিজয় হিসাবে অভিহিত করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল যুগান্তরকে বলেন, এ সফরের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পরই জানা যাবে। তবে আমরা মনে করি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান আমাদের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক অংশীদার ও উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের উন্নয়নে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

সেই ধারাবাহিকতায়, জাপানের কাছ থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তা, আর্থিক অনুদান এবং অন্যান্য সহযোগিতা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে আমরা আশাবাদী। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশকে বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি আরও বেগবান করার ক্ষেত্রে জাপানের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

চার দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

চার দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

টয়োটার প্রথম প্রাইভেটকারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী

টয়োটার প্রথম প্রাইভেটকারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী

ত্রুটি সারিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান

ত্রুটি সারিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানে কর্মসংস্থানে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ

জাপানে কর্মসংস্থানে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ

টোকিওতে হাসপাতাল-জাদুঘর পরিদর্শন, প্রিন্সেস তাকামাদোর সঙ্গে ডা. জোবাইদার সাক্ষাৎ

টোকিওতে হাসপাতাল-জাদুঘর পরিদর্শন, প্রিন্সেস তাকামাদোর সঙ্গে ডা. জোবাইদার সাক্ষাৎ

আরও পড়ুন

ড্রাইভিং প্রশিক্ষণে ব্যয় হচ্ছে ৫৪০ কোটি টাকা দেশে-বিদেশে চাহিদা মিলছে না দক্ষ চালক

দেশে-বিদেশে চাহিদা মিলছে না দক্ষ চালক

অস্তিত্ব সংকটে কর্ণফুলী পেপার মিল

অস্তিত্ব সংকটে কর্ণফুলী পেপার মিল

সফর নিয়ে বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঐতিহাসিক ও বড় বিজয়

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঐতিহাসিক ও বড় বিজয়

ময়নাতদন্তের পরই তাহসিফের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ময়নাতদন্তের পরই তাহসিফের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম