Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

১১২১ কোটি টাকা ঋণ-আত্মসাৎ ও পাচার

সালমান এফ রহমানসহ ৬৯ জনের নামে ৩ মামলা

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সালমান এফ রহমানসহ ৬৯ জনের নামে ৩ মামলা

Advertisement

কাগজে-কলমে প্রতিষ্ঠান খুলে জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ১ হাজার ১২১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ ৬৯ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

দুদক সচিব বলেন, স্পিংফুল অ্যাপারেলস, আরবান ফ্যাশনস ও মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস নামে তিন প্রতিষ্ঠানের ঋণের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে এসব মামলা করা হচ্ছে। তিন মামলায় সালমান এফ রহমানসহ ৬৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও তাদের অনুকূলে বিপুল অঙ্কের ঋণসুবিধা মঞ্জুর ও বিতরণ করা হয়। পরে আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ভুয়া অ্যাকোমোডেশন বিল তৈরি করে অর্থ স্থানান্তর করা হয়। এভাবে ভুয়া বাণিজ্যিক লেনদেন দেখিয়ে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দুদকের নথি অনুযায়ী, তিন প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ১২১ কোটি ৪৯ লাখ ৪ হাজার ৭৫৪ টাকা ৯০ পয়সা।

দুদকের অনুমোদিত মামলার বিবরণ অনুযায়ী, স্পিংফুল অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে ১৪১ কোটি ২৮ লাখ ১ হাজার ১৭১ টাকা ২৫ পয়সা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে। আরবান ফ্যাশনস লিমিটেডের নামে ৪১৭ কোটি ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৬ টাকা ৫ পয়সা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ মামলায়ও সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্যদিকে মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস লিমিটেডের নামে ৫৬৩ কোটি ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫২৭ টাকা ৬০ পয়সা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে তৃতীয় মামলায়। এ মামলায় সালমান এফ রহমানসহ ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, তিন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক থেকে তাদের ঋণসুবিধা দেওয়া হয়। পরে এসব ঋণের বিপরীতে আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ভুয়া অ্যাকোমোডেশন বিল তৈরি করা হয়। এসব বিলের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দেখিয়ে অর্থের লেনদেন সম্পন্ন করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, ভুয়া বিল তৈরি করে আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধের নামে অর্থ স্থানান্তর করা হয়। নিজেদের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি হয়েছে এমন চিত্র তৈরি করে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। পরে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ, ব্যাংক কর্মকর্তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার ও পরস্পর যোগসাজশে এসব ঋণসুবিধা মঞ্জুর ও বিতরণ করা হয়। এতে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালক এবং ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জড়িত ছিলেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

চাঁদার টাকায় আধুনিক অস্ত্রের মজুত

চাঁদার টাকায় আধুনিক অস্ত্রের মজুত

জঙ্গল থেকে জনপদ ইতিহাসের সাক্ষী তিতাখাঁ মিতাখাঁ মসজিদ

ইতিহাসের সাক্ষী তিতাখাঁ মিতাখাঁ মসজিদ

ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগ পাহাড়ে বিচারের নামে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা

পাহাড়ে বিচারের নামে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা

নিত্য মৃত্যুর ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক একনেকে ঠাঁই হয়নি ছয় লেন প্রকল্পের

একনেকে ঠাঁই হয়নি ছয় লেন প্রকল্পের

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম