Logo
Logo
×
   

Advertisement

সাহিত্য সাময়িকী

কবিতাহীন সময়ে কবির কাল

Advertisement

Icon

রেজাউল করিম রনি

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

কবিতাহীন সময় বলতে কোন সময়কে বোঝায়? আসলেই কি এমন কোন সময় সম্ভব যখন কবিতা বলতে কিছু থাকে না? আবার কবির কাল বলতেই বা কি বোঝয়-যখন পুরো সময় কালটাকে কবির কাজের আলোকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়? এমন করে কি কোন সময়কে দাগিয়ে দেয়া সম্ভব? এইসব জটিল প্রশ্নের সহজ উত্তর অতি সংক্ষেপে এই লেখায় বুঝতে চেষ্টা করব দুইজন মহান চিন্তকের দুইটা বই সামনে রেখে। এখানে তাদের কাজ ধরে বিস্তারিত আলপ করতে পারব না, জাস্ট প্রশ্নেটা তুলে রাখব।

ইতালিয়ান দার্শনিক জর্জ আগামবেনের ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত একটা বই আছে। বইটার নাম- ‘দ্য এন্ড অব দ্য পয়েম।’ আর ফরাসি দার্শনিক এলান বাদিও ২০১৪ সালে লিখেছেন- ‘দ্য এজ অব দ্য পয়েটস।’ বাদিও আগামবেনের কাজ নিয়ে এখানে কোন আলাপ করেন নাই। দার্শনিকদের কবিতা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা কেমন সেইসব জানবার আগ্রহ থেকে আমি দুইটা বই পাশাপাশি রেখে পড়তে চেষ্টা করছিলাম কয়েক বছর ধরেই। এবং আল মাহমুদের সূত্র ধরে এই বিষয়ে আলাপের সুযোগ পেয়ে বিষয়টা হাজির করে রাখবার প্রচেষ্টাটা তাই হাতছাড়া করতে চাইনি। কিন্তু কথা সত্য এই বিষয়ে আলাপে প্রবেশের জন্য যতটা নিমগ্ন ভাবে তর্কটাকে হাজির করা দরকার তা এই লেখায় করা সম্ভব হবে না। তাই-আমি সংক্ষেপে শুধু প্রশ্নটাই তুলতে চেষ্টা করব এখন। পরে এই আলাপটা আরও বিস্তারিত করতে হবে।

আগামবেন তার এন্ড অব দ্য পয়েম বা কবিতার সমাপ্তি বলতে কি বুঝাচ্ছেন তা এই বইটার নাম প্রবন্ধে পরিষ্কার করেছেন। তিনি সাউন্ড এন্ড মিনিং এই দুইটার টেনশন কবিতা কিভাবে ডিল করে এবং কবিতার সাথে দর্শনের সম্পর্ক নিয়ে এখানে কথা বলেছেন। তিনি অনেক মহান কবিদের বিষয়ে আলোচনা করে দেখিয়েছেন তারা কিভাবে কবিতার মধ্যে এই শব্দ মানে ভয়েস ও অর্থের মধ্যে জেগে ওঠা টেনশনকে ডিল করেছেন। এবং এতে শব্দকে ওয়ার্ডকে অর্থ কেরি করা বা বহনের মাধ্যম করেছেন। এবং কবিতার সমাপ্তিতে কিভাবে একটা টোটালিটির ধারণা জেগে ওঠে। কবিতা শেষ হওয়ার সাথে এই টোটাল ইউনিটির বিষয়টির আলোচনা দর্শনের ইতিহাসে আগামেনের একটা মৌলিক কন্ট্রিবিউশন। আমি এখানে কোন কবিতার সমাপ্তি অর্থে এন্ড অব পয়েন্ট্রি কথাটা ব্যবহার করছি না। আমি এটাকে কবিতাহীন কাল বুঝতে ব্যবহার করছি। ফলে প্রতিনিয়ত যে কবিতা লেখা হচ্ছে তাকে কি কবিতা বলছি না? বা কবিতা বলে মানছি না বলেই এমন ভাবে প্রশ্নটা তুলছি?

কবিতা লেখা হচ্ছে এবং হবে। কিন্তু এই যে টোটালিটির একটা ইউনিটি বা ঐক্য তা কি আমরা দেখতে পাচ্ছি? কবিতা শেষ হচ্ছে কিন্তু এই টোটালিটির ঐক্য অধরাই থেকে যাচ্ছে। মানে-কবিতাতে কবিতা নাই হয়ে যাচ্ছে। এমন সময়কেই বলছি কবিতাহীন সময়ে কবির কাল। এবার আসি কবির কাল বিষয়ে। বাংলা ভাষায় এই কবির কাল নিয়ে সবচেয়ে বেশি সচেতন ছিলেন মনে হয় আল-মাহমুদ। বাদিও এখানে এজ আফ দ্য পয়েটসে হোল্ডারলিন থেকে পল সেলান পর্যন্ত অনেক কবিদের নিয়ে আলাপ করেছেন। মূলত ১৮ শতক থেকে ২০ শতক পর্যন্ত বিভিন্ন কবিদের ধরে ধরে তিনি কবির কালটা চিহ্নিত করেছেন। এবং দর্শন যেখানে মানব জীবনের নিগূঢ় সত্য অনুসন্ধানের কাজ স্থগিত বা বাদ দিয়েছেন কবিরা সেখানেও কাজ করেছেন। এই জন্য তিনি প্লেটোর প্রকল্পের বিরোধিতা করে দার্শনিকদের চেয়ে কিছু জায়গায় কবিদের গুরুত্ব বেশি বলে মনে করেন।

এই বইটাও প্রবন্ধ সংকলন। এবং এখানে তিনিও কবিতার সাথে দর্শনের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন। যেটা পশ্চিমা দার্শনিকরা করে থাকে। তবে আমরা যেটা বুঝতে পারছি সেটা হলো-আধুনিকতার মধ্যে এসে কবিতার কাল আর একক কোন কবির পয়েন্ট্রিক প্রজেকশনের বা ডিকশনের মধ্যে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। এই পর্বে কবির কালের বদলে কালে কবিদের আমরা পাচ্ছি। এই জন্য অধুনিক সব কবির কবিতা জীবনানন্দ দাশের মতন মনে হয় কোন না কোন সময়। কোন না কোন ভাবে। এখানে দেখা যাচ্ছে কবি নয়। কালই প্রধান হয়ে উঠছে। আর সেই কালকে পয়েট্রিকভাবে মোকাবিলা করতে গিয়ে কবি তার টোটালিটি বা ইউনিটি হারাচ্ছেন। সেই দিক থেকে আগামবেনের প্রশ্নটাকে বাদিও প্রজেক্টকশনের সাথে মিলিয়ে পাঠ করা যায়। এখন দেখা যাচ্ছে-কবির কাল বলে কোন কিছু নেই। সবাই কালের কবি। এবং কালকে আল মাহমুদও ভয় পেতেন। এই জন্য তিনি লিখেন- ‘‘কালের রেঁদার টানে সর্বশিল্প করে থর থর।”

একজন কবি তার কালকে শাসন করতে চায়। কিন্তু যখন সেটা করতে গিয়ে তিনিই কালের খপ্পরে পড়ে যান তখন তার জন্য এটা বিরাট হতাশার বিষয়ে পরিণত হয়। আধুনিক সময়ের এই বিচ্ছিন্নতাকামী স্বভাবের চিহ্ন এই জন্য আধুনিক কবিতাকে বিষাদের খনি করে তুলেছে। এই সময় এত বহুধা স্রোতে বিভক্ত এত এত শিল্পকে এই সময় আসন ছেড়ে দিয়েছে যে, কবির একক কাল নির্মাণের সেই সাধনার শক্তি কোন অর্থ তৈরি করতে পারছে না। বা সেই কবির জন্ম সম্ভব হচ্ছে না। কারণ সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। টোটালিটির ইউনিটি নাই হয়ে যাচ্ছে আমাদের যাপনের বাস্তবতায়। এই সময়ে কবির কাল যেমন সম্ভব হচ্ছে না। তেমনি কবিতার সমাপ্তি ঘোষণার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু এই সময়েও এমন এমন কবির জন্ম হয় যারা এই টেনশনটা ফিল করতে পারেন। এবং এই বিষয়গুলো কবিতার মাধ্যমে মোকাবিলা করেন। কবির কাল কায়েম করতে না পারলেও কালের কবি হয়ে ওঠেন। এবং এটা খুবই রিস্কি একটা কাজ। যেমন-একজন কবি যদি কালের চলতি একটা ট্রেন্ড বা মতাদর্শকে কাব্যিকভাবে হাজিরের চেষ্টা করেন এবং সেই মতাদর্শ বা দার্শনিক অবস্থান রাজনৈতিক বা চিন্তার দিক থেকে যদি পরাজিত হয় তখন সেই অমিত সম্ভাবনাময় কবির ভাগ্যে নেমে আসে বিরাট বিস্মৃতির বিষাদ। যেমন- পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার পরে ফরুরখ আহমদ এবং লীগ প্রযোজিত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ধারা পরাজিত হওয়ার পরে বিশাল তথাকথিত প্রগতিশীল কবি-সাহিত্যিক কালের স্রোতে ভেসে গেছে। জাতীয় জীবনে তাদের আর তেমন রেলিভেন্সি থাকবে না। তবে শিল্প-সাহিত্যের হেরিটেজ, ইতিহাস, ভাষার কারুকাজ ইত্যাদির জন্য এরা হয়তো প্রাসঙ্গিক থাকবেন। কিন্তু তাদের কালজয়ী বলা যাবে না। কালই তাদের ওপর জয়ী হয়েছেন। তারা কালের কল বা ডাক বুঝতে ফেল করেছেন।

এই কালভীতি আল মাহমুদের ছিল। কালের কলস নামে কবিতার বই লিখেছেন বলে এই কথা বলছি না। আল মাহমুদের কবি প্রকল্পের মধ্যে উপরে আমরা যে বিষয়টা আলোচনা করতে চেষ্টা করলাম তার মোকাবিলার ধরনটা ছিল দেখবার মতন। এটা নিয়ে কিছু কথা বলেই আজকের লেখা শেষ করব।

আল মাহমুদ যে পয়েট্রিক এসথেটিক ধারণ করেন তা ছিল তার কাব্যদর্শনের বিপরীত। অন্যদিকে তিনি যে স্পিরিট ধারণ করেন তার প্রকাশ উপযোগী নান্দনিক প্রাতিষ্ঠানিক কাব্য কাঠামো গড়ে তুলতে পারেননি। বা সেটা কি হবে তা ঠিক করতে পারেননি বা বিকল্প কোন নান্দনিক অভিমুখ তৈরি করতে পারেননি। কিন্তু তিনি কবি। তিনি জানেন-জীবনানন্দ দাশে বিলীন হয়ে যাচ্ছে কবিকুল। জসীমউদ্দীন হয়েও পার পাওয়া যাবে না। তিনি বারবার ফিল করেছেন কবির একটা দেশ দরকার। এটা বারবার বলতেন। আসলে দেশ না। নিজের কাল ও কওম বোঝাতেন তিনি। সেটাকে স্বপ্ন-ভাষা ও ইতিহাসের আলোকে কাব্যিক প্রজেকশনের মধ্যে আনাই মহান কবির কাজ- এটা তিনি জানতেন। কিন্তু তিনি কাজ করছেন এমন সময়ে যখন কবি কালকে শাসন করেন না আর। কালই কবির নিয়তি ঠিক করে দেয়। ৫০ এর দশকের পরে জেগে ওঠা কবিতাহীন (তথাকথিত আধুনিক) কালের মহান এক কবি হিসাবে তিনি বুঝে গেছেন তার নিয়তি সুবিধার না। কবিতাহীন কাল, বিচ্ছিন্নতার এই আধুনিক অভিঘাত মোকাবিলা করার জন্য তিনি যে পদ্ধতিকে বেছে নিয়েছেন তাতে তার বিরুদ্ধ কাব্য দর্শনের লোকজনও চমকে গেছেন। কিন্তু এখানে চমকের চেয়ে আরও বেশি কিছু আছে। সেটা হলো-এমন সময়ে একজন কবি কিভাবে লড়াই করেন সেই নিশানা এখানে হাজির আছে।

সোনালী কাবিন থেকে শুরু করে পুরো আল মাহমুদের কাব্যিক-নান্দনিক যে অভিমুখ আর তার যে স্পিরিটের অভিমুখ তার কন্ট্রাডিকশনটাই আল মাহমুদের বিশিষ্টতা হিসাবে পাঠ করা হয়। এটাকে আপনি আল মাহমুদ শামসুর রাহমান বাইনারি হিসাবেও পাঠ করতে পারেন। এখানে দার্শনিক লড়াই আছে। রাজনীতির বা স্পিরিটের ভিন্নতার প্রশ্ন আছে। মোট কথা সংস্কৃতি সাহিত্যের বা দর্শনের যে নন্দনতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে অবলম্বন করে কলকাতায় ১৯ শতকের বাংলা সাহিত্যের নব জাগরণ ঘঠে সেই স্রোতে অনেক বিরাট বিরাট নাম পাওয়া যাবে। কিন্তু আল মাহমুদ নান্দনিক কাঠামো হিসাবে সেটা নিলেও সংস্কৃতি শব্দবহুল বাক্য লেখার পরেও তার স্পিরিট কলকাতার সাংস্কৃতিক অভিমুখ থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছে প্রতিটি পদক্ষেপে। পূর্ব বাংলা বা পরে বাংলাদেশ যেভাবে হাজির হচ্ছে আল মাহমুদে তার উপযোগী নয়া নান্দনিক সূত্র তিনি আবিষ্কার করছেন না বটে কিন্তু নয়া ইমাজিনেশন হাজির করছেন সেই পুরনো প্রতিষ্ঠিত নান্দনিক কাঠামোতেই। প্রচারিত কাব্য ধারাতেই তিনি গড়ে উঠছেন। রবিঠাকুরের দানবীয় প্রতিভার গ্রাস থেকে বাঁচার জন্য তিরিশের কবিকুলের আধুনিকতাকে বরণের যে আন্দোলন সেখানে আল মাহমুদ গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছেন। পলিটিক্স অব এসথেটিকস নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করতে পারলে এই বিষয়টা আরও পরিষ্কার করা যেত। আজ আর সেটা সম্ভব না। এখানে আমরা যেটা দেখতে পাচ্ছি তা হলো- কলকাতার যে সাহিত্যিক ও নান্দনিক রুচি তার মধ্যে সেই সূত্র ধরে প্রবেশ করেই আল মাহমুদ তার স্বদেশ ও স্বভূমিকর চিত্রটা, স্পিরিটটা হাজির করে ফেলছেন। ফলে তিনি কবির কাল কায়েম করতে না পারলেও কালের কবি হিসাবে টিকে গেলেন এক রকম।

কবিতাহীন কালে তিনি এই যে কবিত্বশক্তির প্রকাশ করে গেলেন তার ফলে আমরা একজন রবিঠাকুর বা গ্যাটে পাইনি কিন্তু আল মাহমুদকে পেয়েছি। যিনি সমগ্র বাংলা সাহিত্যের অনুগামী হয়েও আলাদা। এই বিশিষ্টতা কোন গৌরবের নয়। এইটা এক ধরনের আত্মরক্ষার কৌশল। যেই কৌশলটা বেশির ভাগ কবিই নিতে পারেননি। বিচ্ছিন্নতার ভয়কে মোকাবিলার এই সাহসই আল মাহমুদের গৌরব।

কিন্তু এটাকে বাংলাদেশের নতুন সিভিলাইজেশনাল প্রকল্পের আলোকে পাঠ করলে দেখা যাবে-তিনি তার কালের কবি হওয়ার সক্ষমতা নিয়ে জন্ম নেওয়ার পরেও তিনি কবির কাল তৈরি করতে পারেননি। বরং কালের কবি হয়ে উঠেছেন। ফলে আল মাহমুদ পাঠ একদিক থেকে আমাদের এই বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করবে যে, কিভাবে একজন কবি কবিতাহীন সময়ে তার কালকে মোকাবিলা করতে করতে কোন রকমে রেঁদার টানে টিকে থাকতে চেষ্টা করতে করতে শেষ হয়ে যান।

আল মাহমুদকে নিয়ে যারা বিকল্প সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রকল্প তৈরির চেষ্টা করেছেন তাদের গঠনমূলক প্রাতিষ্ঠানিক সফলতার বদলে প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠবার নিয়তির দিকে তাকালে আমার এই বক্তব্য আরও পরিষ্কার হয়ে উঠবে। কলকাতার তাবৎ সাহিত্যিক কৃৎকৌশল ও সফলতার রাজনৈতিক এজেন্সি হিসাবে গড়ে ওঠা বাঙালি জাতীয়তাবাদি স্বৈরতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তির পরাজয়ের পরেও একটা বিকল্প ধারা বা কাউন্টার কালচার যে তৈরি করা যাচ্ছে না তার কারণ হলো এরাও আল মাহমুদের দেখানো পথেই হাঁটতে চায়। এরাও পরাজিত স্পিরিট বাট বিশাল সেই হেরিটেজকে বাইপাস করার পদ্ধতী জানে না। তারা তাদের প্রকল্প হাজির করতে চায় পরাজিতের নন্দনিক সূত্রকে অনুসরন করে। তারা যদিও মনে করে তাদের সত্য অনেক বেশি সুপিরিয়র কিন্তু মেথড হলো সেই পরাজিতের। নিজের সত্যকে আবিষ্কার করার পদ্ধতিও যে সত্যানুগ হওয়া জরুরি সেই পরিশ্রমী ও রেভ্যুলেশনারি স্পিরিটের ঘাটতি কাউন্টার কালচার তৈরির প্রক্রিয়াকে রিঅ্যাকশনারি ধারা হিসাবে গড়ে তুলছে।

এই সমস্যার সমধানের জন্য আমাদের যে পদ্ধতিগত ও দার্শনিক অভিনিবেশ দরকার তার ঘাটতি আছে। করাপ্ট সাংস্কৃতিক ইন্ডাস্ট্রির আছর কাটিয়ে এই কঠিন ও বৈপ্লবিক পথে হাঁটার মতো মহান প্রতিভার অপেক্ষায় সব সময়ই থাকে একটা জাতি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম