Logo
Logo
×

Advertisement

খবর

মুজিব কিতাব লেখা শিক্ষক নূরুল ইসলাম আবারও বিতর্কে

Icon

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

যোগদানের শুরুতেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত হলেন শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে একাধিক বই লেখা সেই জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলাম। স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রেখে প্রখর রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা নিয়েছেন সদ্য যোগদানকৃত প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলাম। এ ঘটনা স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী জিলা স্কুলে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলাম নিজের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা নিতেই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করেন। এতে প্রথম ক্লাসের পর পরবর্তী তিনটি ক্লাস হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রধান শিক্ষকের আগমনে শিক্ষার্থীদের লাইনে দাঁড় করানো হয়। ভাদ্রের তালপাকা গরম, প্রখর রোদের মধ্যে ছোট ছোট বাচ্চারা নাজুক শারীরিক অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল। এতে অনেকেই বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অভিভাবকদের অভিযোগ-এ ধরনের আচরণ কোমলমতি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তারা বলেন, শিক্ষকরা যেখানে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও যত্ন নেওয়ার দায়িত্বে, সেখানে এমন অমানবিক ব্যবহারের কোনো যৌক্তিকতা নেই। স্থানীয় সচেতন মহলও ঘটনাটিকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছে। তারা এ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার দাবি জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদ্য যোগদানকৃত প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলাম বুধবার জিলা স্কুলে যোগদান করে পরবর্তীতে তার পূর্বের স্কুল ঝালকাঠির হরচন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে রিলিজ নেন। যা নিয়ম বহির্ভূত।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলাম বলেন, আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে মর্মে কোনো তথ্য আমার জানা নেই। আমার যোগদানের কারণে বিদ্যালয়ের কোনো পাঠদান বিলম্বিত হয়নি। তিনি দাবি করেন, পূর্বের কর্মস্থল ঝালকাঠির হরচন্দ্র বিদ্যালয় থেকে অনলাইনে অবমুক্তি নিয়ে বরিশাল জিলা স্কুলে যোগদান করেছেন। যোগদানের সময়ে জিলা স্কুলের সভাপতি জেলা প্রশাসক উপস্থিত ছিলেন। অথচ তার যোগদানের দিন বাচ্চাদের রোদে দাঁড় করিয়ে রাখার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইউনুস আলী সিদ্দিকী জানান, প্রধান শিক্ষক ক্লাস বন্ধ রেখে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রোদে দাঁড় করিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা নিতে পারেন না। এ বিষয়টি জিলা স্কুলের সভাপতি জেলা প্রশাসককে জানাব। জিলা স্কুলের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তিনি বিষয়গুলো নিয়ে সদ্য যোগদানকৃত প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলামকে প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান। যোগদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবর্ধনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক জানিয়েছেন, যোগদান অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে তিনটি ক্লাস বন্ধ ছিল।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু বাসচাপায় নিহত

মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু বাসচাপায় নিহত

প্রবেশ ফি বাড়তি নেওয়ার জের শ্রমিককে মারধরে চট্টগ্রাম বন্দরে ডেলিভারি বন্ধ

শ্রমিককে মারধরে চট্টগ্রাম বন্দরে ডেলিভারি বন্ধ

সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া জাহিদ চাকরি পেলেন

ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া জাহিদ চাকরি পেলেন

প্রিজনভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পলায়ন ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম