অভিযোগ পৌর সভাপতির বিরুদ্ধে
নন্দীগ্রামে কলেজ ছাত্রদল সভাপতিকে ছুরিকাঘাত
Advertisement
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বগুড়ার নন্দীগ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও এক তরুণীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিলকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। রোববার রাতে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত ছাত্রদল নেতাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, এ হামলার নেতৃত্বে ছিলেন নন্দীগ্রাম পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন।
স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিল ও পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিনের বিরোধ চলে আসছে। রোববার বিকালে নন্দীগ্রাম উপজেলার মাঝগ্রামে রাব্বি নামে এক যুবক এক তরুণীকে উত্ত্যক্ত করে। রাব্বি পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিনের অনুসারি হিসেবে পরিচিত। সে সময় কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিল সেখানে এসে এর প্রতিবাদ ও রাব্বিকে বাধা দেন। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।
রোববার রাতে ছাত্রদল নেতা শাকিল নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চা পানের জন্য যান। সেখানে আগে থেকে লুকিয়ে থাকা পৌর ছাত্রদল সভাপতি পলিন ও তার ১০-১২ সহযোগী অতর্কিত শাকিলের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা শাকিলকে বেধড়ক মারপিট ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত শাকিলকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শাকিল মাঝগ্রাম এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে। এছাড়া পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন মাঝগ্রামের আবদুর রউফ স্ট্যালিনের ছেলে। পলিন ফোন বন্ধ রাখায় এ অভিযোগের ব্যাপারে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন রাতেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাকিলকে দেখতে যান। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, দলে কোন সন্ত্রাসীর ঠাঁই নেই। অভিযুক্ত দলের পদধারী হলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবেনা। আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।
