ভাঙ্গায় দুপক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ১০
মাদারীপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান রণক্ষেত্র
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও ইলিশ পরিবহণের বাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুর্ঘটনার পর উভয় পরিবহণের যাত্রী ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে বিয়ের যাত্রীসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। রোববার রাত ৯টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের চুমুরদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে মাদারীপুর পৌর শহরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত চলা এ সহিংসতায় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ এবং অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) : বিয়ের যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস মাদারীপুরে বিয়ে অনুষ্ঠান শেষে বিয়ের যাত্রী নিয়ে ভাঙ্গায় ফেরার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা ইলিশ পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে ইলিশ পরিবহণের গাড়ির চালক-হেলপারের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারাও হামলার শিকার হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আহতদের কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
মাদারীপুর : শনিবার দুপুরে শহরের প্লানেট কমিউনিটি সেন্টারে ইতালি প্রবাসী মামুনের বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালীন বসার চেয়ার নিয়ে থানতলীর আকিব ও পাকদীর মঈন মুন্সির মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। অতিথিরা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও বিরোধের রেশ থেকে যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানের সেই বিরোধের জেরে রোববার সন্ধ্যায় দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো থানতলী ও পাকদী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৯টার দিকে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করলে সদর মডেল থানা পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশি টহল শিথিল হওয়ার সুযোগে সোমবার ভোরে আবারও অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
