Logo
Logo
×

Advertisement

খবর

জাতীয় সংসদ অধিবেশন

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজিতে ৫ বছর জেল

বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে বিল

Advertisement

Icon

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি করলে ৫ বছরের জেলের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে বিল পাশ হয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ সংসদে তোলেন। বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য বিরোধী দলের সদস্যদের প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে এটি কণ্ঠভোটে পাশ হয়। এদিন সংসদে বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে আরেকটি বিল আনেন শিক্ষামন্ত্রী। পাশ হওয়া পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল অনুযায়ী, পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ এবং সংগঠিত পরীক্ষা অপরাধের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ডিজিটাল কারসাজির সর্বোচ্চ সাজা রাখা হয়েছে ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

বিলে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কোনো লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করলে বা করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এছাড়া এতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নফাঁসের শাস্তি যুক্ত করা হয়েছে। যে কোনোভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাজা হবে ৫ বছর। বিদ্যমান আইনে প্রশ্নফাঁসের সাজা ১০ বছর। এছাড়া আরও কয়েকটটি ক্ষেত্রে সাজার বিধান কমানো হয়েছে।

উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের সাজাও রাখা হয়েছে বিলে। এতে বলা হয়েছে, কোনো পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অতিমূল্যায়ন (ওভার অ্যাসেস) বা অবমূল্যায়ন (আন্ডার অ্যাসেস) করলে তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এক্ষেত্রে তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে অতি বা অবমূল্যায়নের বিষয়টি নির্ধারিত হতে হবে। বিলে শিশুদের বিষয়ে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো শিশু এই আইনের অধীনে অপরাধ করলে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল : বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে সংসদে বিল আনেন শিক্ষামন্ত্রী। ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন রহিত করে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২৬’ প্রণয়ন করা হচ্ছে। পরে বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনটি করা হয়েছিল। নতুন আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন গেজেট আকারে প্রকাশ হলেও তা কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাস্তবতার নিরিখে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞান ইত্যাদিসহ জ্ঞানবিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে বগুড়া জেলায় একটি একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

রাজধানীতে দুই বাসের মাঝে পড়ে নারী নিহত

রাজধানীতে দুই বাসের মাঝে পড়ে নারী নিহত

সিলেটে সালিশ শেষে পথে হামলা এক ব্যক্তির হাতের কবজি কেটে নিল প্রতিপক্ষ

এক ব্যক্তির হাতের কবজি কেটে নিল প্রতিপক্ষ

মানসিক স্বাস্থ্য সংলাপে বক্তারা দক্ষ জনবল ও চিকিৎসা বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি

দক্ষ জনবল ও চিকিৎসা বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি

ইউএনও ও আদালতের উদ্যোগ অবশেষে সেই মায়ের দায়িত্ব নিল ছেলে

অবশেষে সেই মায়ের দায়িত্ব নিল ছেলে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম