চুয়েট থেকেই ভিসি নিয়োগসহ তিন দাবি শিক্ষক সমিতির
Advertisement
চুয়েট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থা নিরসনে ৩টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শিক্ষক সমিতির জরুরি সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর মধ্যে রয়েছে, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসাবে পুনর্বহালের দাবি, কেবল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রকৌশল শিক্ষকদের মধ্যে থেকে উপাচার্য নিয়োগ এবং পূর্বঘোষিত পূর্ণ কর্মবিরতি (জরুরি সেবা ব্যতীত) অব্যাহত রাখা।
চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আজ আমাদের একটি সাধারণ সভা ছিল। সেখানে আমরা সবাই আমাদের দাবির বিষয়ে একমত হয়েছি। চুয়েটের বাইরে থেকে কাউকে আমরা উপাচার্য হিসাবে চাই না।’
একাডেমিক দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সামনে দুর্গাপূজার ছুটি রয়েছে। সংকটের সমাধান না হলে সে সময় পর্যন্ত আমাদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। ইতোমধ্যে অনেকে মধ্যপর্বের ছুটিতে আছেন। ফলে তাদের একাডেমিক ক্ষতি হচ্ছে না। পরবর্তীতে যাদের ওই সময়ে ছুটি নেওয়ার কথা ছিল, আমরা তখন ক্লাস নিয়ে তাদের একাডেমিক ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পারব বলে আশা করছি।’
এদিকে, চুয়েটে চলমান আন্দোলন গতকাল ১৭ দিনে গড়ায়। নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে আসছেন-এমন গুঞ্জনে সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা মূল ফটকে তালাও লাগিয়ে দেন।
পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে তালাবদ্ধ উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় সাধারণ সভা শেষে সেখানে যোগ দেন শিক্ষকরাও। দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে তাদের এ কর্মসূচি।
অন্যদিকে, ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে যোগদান করলেও এখনো ক্যাম্পাসে আসেননি নবনিযুক্ত উপাচার্য। সংকট সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
