শরতে কুয়াশা, পঞ্চগড়ে শীতের আগমনী বার্তা
Advertisement
এসএ মাহমুদ সেলিম, পঞ্চগড়
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রকৃতির খেয়ালিপনায় এখন সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শরতের সকালেই ঝরছে কুয়াশা। বইছে মৃদু ঠান্ডা বাতাস আর শরীরের অনুভূত হচ্ছে শীতলতা। জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তার। ঘাসের ডগায় চিকচিক করছে শিশির বিন্দু। অথচ ক্যালেন্ডারের পাতায় এখন শরৎকাল। শীত আসতে আরো প্রায় মাসখানেক বাকি।
এদিকে ভোরের আলো ফোটার আগেই কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পঞ্চগড়ের পুরো এলাকা। মধ্যরাতের পরই শিশির পড়তে শুরু করে। সকালে রোদের তেজ বাড়ার পর মিলিয়ে যায় কুয়াশা। অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় প্রতি বছরই এখানে আগেভাগে শীত নামে, বিদায় নেয় অনেক পরে। তাই এ অঞ্চলে শীতের স্থায়িত্ব দেশের অন্যান্য জায়গা থেকে অনেক বেশি।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস বলছে, মৌসুমি বায়ুর নিষ্ক্রিয়তা এবং বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কিছুটা কুয়াশা ঝড়ছে। গত কয়েক দিন আগে বঙ্গোপসাগরে নিুচাপের কারণে পঞ্চগড়ে বৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে দিন ও রাতের তাপমাত্রাও বেশ কমে যায়। বৃষ্টি কমে গেলে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে এলেও রাতের তাপমাত্রা খুব বেশি একটা কমছে না। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের দিকে ভোররাতে বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে। এর প্রভাবে মধ্য রাতের পর এখানে ফ্যানের সুইচ অফ রাখতে হচ্ছে। কুয়াশা দেখা যাচ্ছে সকাল ৯টা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি ও শুক্রবার আকাশে ঘন মেঘ থাকায় কুয়াশা দৃশ্যমান হয় সকাল ৯টা পর্যন্ত।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাঝগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা করিম উদ্দীন জানান, ভোরে যখন মসজিদে ফজরের নামাজ পড়াতে যাই তখন অনেক কুয়াশা দেখা যায়। তবে নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পরপরই কুয়াশা কমে আসতে থাকে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্র নাথ রায় জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় সর্বনিু তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি বলেন, বর্তমানে শরৎকাল চলছে। যদিও শীতকাল আসতে আরও এক মাস বাকি। হেমন্তের শেষ দিকে এসে তাপমাত্রা নামতে শুরু করবে এবং শীত অনুভূত হবে।
