Logo
Logo
×

Advertisement

খবর

সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন কম

গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বাড়ানোয় প্রশ্ন

Advertisement

Icon

সংসদ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বাড়ানোর বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। এছাড়া আইন অনুযায়ী গত ২৩ বছরেও জ্বালানির দাম নির্ধারণে গণশুনানিসংক্রান্ত প্রবিধান তৈরি না হওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে মন্ত্রণালয়। এ সময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জের যৌক্তিকতা নিয়েও আলোচনা হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা যাচাই এবং ক্যাপাসিটি চার্জের যৌক্তিকতা নির্ধারণে ফরেনসিক অডিটের দাবি জানানো হয় বৈঠক থেকে। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বৈঠকে অংশ নেন।

পরে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ-সদস্য নাজিবুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ-সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে সম্প্রতি এলপিজির দাম বাড়ানো এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে গণশুনানি না করা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অগ্রগতি কতটুকু, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চাওয়া হয়। তবে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

নাজিবুর রহমান বলেন, ২০০৩ সালে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইনের ৩৪ ধারায় বলা আছে, কমিশন শুনানির মাধ্যমে জ্বালানির দাম নির্ধারণ করবে। এজন্য তারা একটি প্রবিধান তৈরি করবে। গত ২৩ বছরেও এই প্রবিধান তৈরি করা হয়নি। কেন হলো না তা তারা জানতে চেয়েছেন। তিনি জানান, মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ডিজেল হচ্ছে কৌশলগত জ্বালানি। ডিজেলের মজুত আছে মাত্র ৩১ দিনের। এটাকে কীভাবে বাড়ানো যায়, তারা সেটা দেখতে বলেছেন। এখন ২৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা আছে। কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছে। তারা কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে ফরেনসিক অডিটের কথা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, বাজারে এলপিজির সিলিন্ডার এখন ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। অথচ বাজারে কোনো নজরদারি নেই। তারা সরকারের নজরদারি বাড়াতে বলেছেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেন, ভবনের ছাদে ৫০ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনায় ১৫০ কোটি টাকার মতো খরচ হওয়ার কথা। কিন্তু সরকারের প্রকল্পে দেখা যাচ্ছে এ ধরনের প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩৫০ কোটি টাকার ওপরে। আগামী বৈঠকে এ ধরনের প্রকল্পে কোন খাতে কত খরচ ধরা হয়েছে, তার বিবরণ দিতে মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।

এদিকে দেশে পর্যাপ্ত উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি সংকট ও বকেয়া বিল পরিশোধ না করাসহ নানা কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না বলে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। জবাবে কমিটির বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে। এছাড়া বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম, বাজেট বরাদ্দ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন কম গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বাড়ানোয় প্রশ্ন

গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বাড়ানোয় প্রশ্ন

সাড়ে ৭ কোটি টাকার পণ্যে শুল্ক ফাঁকি বেনাপোলে খালাস প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন

বেনাপোলে খালাস প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন

বগুড়ায় চোর সন্দেহে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা

বগুড়ায় চোর সন্দেহে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা

এসপির সঙ্গে কথোপকথনের অডিও ‘আপনার বিষয়ে নেত্রীকে ভালো রিপোর্ট দেব’

‘আপনার বিষয়ে নেত্রীকে ভালো রিপোর্ট দেব’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম