কিশোরগঞ্জ গণপূর্ত
নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি
Advertisement
কিশোরগঞ্জ ব্যুরো
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশোরগঞ্জের গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগের প্রমাণ পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বরং অফিস সহকারীর বিভিন্ন অনিয়ম ও অবৈধ সুযোগ-সুবিধা ভোগের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শনিবার দুদক জানায়, সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে নির্বাহী প্রকৌশলী মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, নির্বাহী প্রকৌশলী মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এক দিনে ২৭টি টেন্ডার প্রকাশ এবং পরদিন বিল দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন অফিস সহকারী এনামুল হক। ১৫ সেপ্টেম্বর ছদ্মবেশী ঠিকাদার এনামুলকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে নরসিংদীতে বদলি করে গণপূর্ত বিভাগ। আর এ ঘটনার পর ২১ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এনামুলের ঠিকাদার সিন্ডিকেটের ১৪ সদস্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ করে। এদিকে, এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে দুদক সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জব্দ করে। এ নিয়ে ১৮ অক্টোবর দৈনিক যুগান্তরে ‘দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ, কিশোরগঞ্জ গণপূর্ত কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, নথি জব্দ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, অফিস সহকারী এনামুল সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় মেসার্স হক কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলে গণপূর্ত বিভাগের কাজ করে আসছিলেন। নানা অভিযোগে তাকে বদলি করা হয়। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তবে এসব অভিযোগ অবাস্তব, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
