শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিরাপত্তায় অগ্রাধিকার দিতে হবে: হেফাজতে ইসলাম
Advertisement
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শিক্ষপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি সবসময় অগ্রাধিকার দিতে হবে। এক্ষেত্রে স্কুল ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নীতিমালা অবলম্বন করতে হবে। সিসি ক্যামেরায় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান গণমাধ্যমে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। শনিবার সন্ধ্যায় সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠান।
বিবৃতিতে হেফাজত শীর্ষ নেতৃত্বদ্বয় বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে কোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়। যে কোনো ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করাটা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই জরুরি। তারা বলেন, এটি শুধু কোনো একটি কমিউনিটিকেন্দ্রিক সমস্যা তা নয়। স্কুল, মাদ্রাসা, এমনকি অন্যান্য পরিসরেও সমস্যাটি কম-বেশি বিদ্যমান। নিজস্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধ করতে এ বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ দেশের ৬টি কওমি মাদ্রাসা বোর্ড এবং এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এতে প্রতিটি মাদ্রাসায় ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ গঠন বা সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যে কোনো অভিযোগ সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। হেফাজত নেতারা বলেন, আমরা সব স্কুল-মাদ্রাসাকে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় যে কোনো নৈতিক পদস্খলনের দায়ে দোষীকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত উভয় শাস্তি ভোগ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো শিথিলতা বা আপস চলবে না। আজকের শিশু শিক্ষার্থীরা আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা ও নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্বে কোনো ছাড় নয়।
