বর-কনে নিয়ে ফেরার পথে হামলা, অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট
পুলিশসহ আহত ১৫
Advertisement
কিশোরগঞ্জ ব্যুরো
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বর-কনে নিয়ে ফেরার পথে অটোরিকশাচালকদের অতর্কিত হামলায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে এক পুলিশ সদস্য রয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাটখাল গরুর হাট এলাকায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় কনের পরিবারের সদস্যদের মারধরের পাশাপাশি টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার লুটেরও অভিযোগ উঠেছে। আহত পুলিশ সদস্য কাউসার মিয়া কাটখাল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের রানীগঞ্জ এলাকার স্বপন মিয়ার সঙ্গে বৈরাটি ইউনিয়নের মাইজচর গ্রামের জোনাকি আক্তারের বিয়ে হয়। শনিবার দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে নবদম্পতিকে নিয়ে কনের স্বজনরা বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে কাটখাল গরুর হাট এলাকা অতিক্রমকালে পেছন থেকে চরকাটখাল এলাকার অটোরিকশাচালক দয়াল মিয়া কনের এক স্বজনকে ধাক্কা মারে। এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রতিবাদ করলে দয়াল মিয়া ও তার সহযোগী অটোরিকশাচালকরা তাদের ওপর হামলা চালান। এতে কনের পরিবারের ১৪ জন আহত হন। এই খবরে কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এ সময় হামলাকারীরা পুলিশের ওপরও চড়াও হলে কাউসার মিয়া নামের এক পুলিশ সদস্যও আহত হন।
কনের স্বজন বাচ্চু মিয়ার অভিযোগ, অটোরিকশাস্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রক দয়াল মিয়ার নেতৃত্বেই তাদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছে। আহত ১৪ স্বজনকে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত দয়াল মিয়ার স্ত্রী রূপ নাহার পালটা দাবি করেন, অটোরিকশার হর্ন বাজিয়ে সাইড চাওয়ায় মাইজচরের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্বামীর ওপর হামলা চালিয়েছে। আহত দয়াল মিয়াকেও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী এএসআই আবদুল গাফফার জানান, দয়াল মিয়া ও তার লোকজন পুলিশের ওপরও হামলা করে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
