সংবাদ সম্মেলন
কুড়িল-পূর্বাচল সড়কের পাশে খাল খনন প্রকল্পের কাজ ২৫ ভাগ সম্পন্ন
Advertisement
যুগান্তর রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কুড়িল-পূর্বাচল প্রকল্পের ৩০০ ফুট সংযোগ সড়কের দু’পাশের ১০০ ফুট খাল খনন প্রকল্পের ২৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৭৫ ভাগ চলতি বছরের আগস্টের মধ্যে শেষ করা হবে। এ লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে রাজউক ও সেনাবাহিনী। রোববার পূর্বাচলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্ষা মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঢাকা সেনানিবাস, হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ডিওএইচএস, বারিধারা, নিকুঞ্জসহ সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ১০০ ফুট খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে এলাকাগুলোসহ ৩০০ ফুট রাস্তাকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে গড়ে উঠা আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার বাসিন্দারা পানি নিষ্কাশনের সুবিধা পাবে। এছাড়া প্রকল্পটি পুরো এলাকাকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলবে। আর এ প্রকল্পের সঙ্গে কিছু কাজ সংযোজন হওয়ায় প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাস্তবতার আলোকে বাড়বে। রাজউকের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পের কারণে ড্যাপে প্রস্তাবিত সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এটি আমাদের জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট। ড্যাপের রাস্তা বাস্তবায়িত হলে বিপুল জনগোষ্ঠী এ সুবিধা পাবে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেখার আনিস বলেন, সার্ভিস রোডের বর্তমান স্থানের কারণে আগের তুলনায় বেশি মানুষ সুবিধা ভোগ করবে। এছাড়া ৩০০ ফুট রাস্তার উত্তর-দক্ষিণে রাজউকের ড্যাপের তিনটি প্রস্তাবিত রাস্তা আছে। ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে রাস্তা তিনটির বাস্তবায়নের কাজও এ প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে।
এ জন্য প্রকল্প সংশোধন করা হচ্ছে। পাশাপাশি কাছেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের একটি প্রকল্প রয়েছে। সবগুলো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের ট্রাফিকের কোনো সমস্যা সৃষ্টি হবে না। রাজউকের ড্যাপের তিনটি প্রস্তাবিত সড়ক বাস্তবায়নসহ পুরো প্রকল্পের খরচ ও সময় কিছুটা বাড়তে পারে।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শরীফ রায়হান কবীর বলেন, খাল খনন প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণে ১ হাজার ২০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৫০টি পরিবারের ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। মামলা থাকায় ৬০০টি পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া যায়নি এবং বাকি ৫০টি পরিবার এখনও ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেনি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১০০ ফুট খাল খনন প্রকল্পের পরামর্শক ও বাংলাদেশ প্রকৌশল এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, রাজউকের প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল নিজাম উদ্দীন আহমদ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, কুড়িল-পূর্বাচল ৩০০ ফুট সংযোগ সড়কের পাশের ১০০ ফুট খাল খনন প্রকল্প ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় অনুমোদন পায়। গত বছরের ৮ জুলাই এ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করা হয়।
