বগুড়ায় আ.লীগের ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা
Advertisement
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বগুড়া বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক সুরাইয়া জেরিন রনি আদালতে আত্মসমর্পণ করতে যাওয়ার পথে ককটেল বিস্ফোরণ, গুলিবর্ষণসহ হামলার অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক এমপি মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি রাগেবুল আহসান রিপুসহ ১২৬ নেতার নাম উল্লেখ করে ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রনি নিজেই সদর থানায় এ মামলা করেন। সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ বলেছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে মামলার অন্যতম আসামি বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বগুড়া শহর মহিলা লীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ডালিয়া খাতুন রিক্তা জানান, মারধর করা দূরে থাক, মহিলা দল নেত্রী রনির সঙ্গে তার কোনোদিন কথাই হয়নি। অথচ তিনি নয়জন মহিলা লীগ নেত্রী ও সাবেক জনপ্রতিনিধিসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন।
রনি এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ২০২২ সালের ২৭ মে বিএনপির সম্মেলনে তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য দেন (সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে আপত্তিকর বক্তব্য)। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের পক্ষে তখন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা হয়। ওই বছরের ১৭ জুলাই বিকালে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করতে আসেন। তখন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর হুকুমে ৩-৫নং আসামির নেতৃত্বে ৬-১৫নং আসামিরা ১০-১২টি ককটেল বিস্ফোরণ করে জনমতে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। অন্য আসামিরা রিভলভার ও পিস্তল দিয়ে গুলি করে এবং তাকে বেধড়ক মারধরে জখম করে। এতে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জেলখানার ভেতরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এসব হামলার ভিডিও ফুটেজ তার কাছে আছে। তিনি আরও বলেন, আসামিরা তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের হওয়ায় তিনি এতদিন প্রাণভয়ে মামলা করতে পারেননি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে সদর থানায় মামলা করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।
