Logo
Logo
×
   

Advertisement

খবর

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সিংহ দম্পতি

নভকে মেনে নিতে পারছে না নোভা

লেগে আছে দাম্পত্য কলহ!

Advertisement

Icon

এমএ কাউসার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নভকে মেনে নিতে পারছে না নোভা

Advertisement

চট্টগ্রামের সিংহী নোভার দীর্ঘ ১১ বছরের একাকিত্ব ঘোচাতে দু’বছর আগে রংপুর চিড়িয়াখানা থেকে আনা হয়েছিল সিংহ বাদশাকে।

ওই সময় নোভার সঙ্গে মিল রেখে সিংহ বাদশার নাম রাখা হয় নভ। মহা ধুমধামের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেয়া হয় এ সিংহ দম্পতিকে। বরযাত্রী, চট্টগ্রামের রীতি অনুযায়ী ঘাটা ধরা (বিয়ের গেট ধরা), ৪৭ কেজি তরতাজা মাংস দিয়ে ভালোবাসার প্রতীকে তৈরি করা মাংসের কেক ছিল নভ-নোভা’র বিয়ের প্রধান আকর্ষণ।

দু’জনের মধ্যে ভাববিনিময় শেষে সিংহ দম্পতির বাসর নিয়েও ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। কিন্তু সিংহী নোভার আশা অর্পূণই থেকে গেল। চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সিংহ নভর ঘরে মানসিক কষ্টে দিন কাটছে নোভার। নভকে সঙ্গী হিসেবে পাওয়ার দুই বছর কেটে গেলেও এখন পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে পারেনি নোভা।

জানা গেছে, ‘ইন্ডিয়ান লায়ন’ প্রজাতির সিংহ-সিংহীর গড় আয়ু ১৫ থেকে ১৭ বছর। সে অনুযায়ী সিংহ নভর আয়ুষ্কাল শেষের দিকে। ফলে নভর স্বাভাবিক চাঞ্চল্য কমে যাওয়ার পাশাপাশি তার প্রজনন ক্ষমতাও লোপ পেয়েছে। এরই মধ্যে পড়ে গেছে সামনের দুটি দাঁত।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কিউরেটর ডা. মো. শাহাদাত হোসেন শুভ যুগান্তরকে বলেন, প্রাণী বিনিময়ের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সিংহী নোভার জন্য রংপুরের নভকে (বাদশা) এবং তার ভাই রাজার জন্য রংপুর চিড়িয়াখানায় নেয়া হয় নোভার বোন বর্ষাকে। দুই চিড়িয়াখানায় দুটি করে সমলিঙ্গের প্রাণী থাকায় একাকিত্ব ঘোচাতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।

সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ১৬ জুন চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দুটি সিংহ শাবকের জন্ম হয়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ মেয়ে শাবক দুটির নাম রাখে ‘নোভা’ ও ‘বর্ষা’। শাবক দুটি জন্মের কিছুদিন পর তাদের মা ‘লক্ষ্মী’ মারা যায়। তিন বছর পর তাদের বাবা ‘রাজ’ও মারা যায়। তখন থেকে নতুন কোনো সিংহ আনা হয়নি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার নির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব রুহুল আমীন যুগান্তরকে বলেন, রংপুর থেকে আনা সিংহটি বয়স্ক হওয়ায় এ দম্পতি বংশ বিস্তার করতে পারছে না। তারপরও গর্ভধারণের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জেলা প্রশাসনের অনুমতি পেলে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এক জোড়া সিংহ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।

Advertisement

সিংহ

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম