Logo
Logo
×

Advertisement

ঘরে বাইরে

শারদীয় প্রস্তুতি

Advertisement

Icon

ফারিন সুমাইয়া

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

পূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত পূজামণ্ডপ। আর মাত্র অল্প কিছুদিন বাকি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার। আগেভাগে তাই থাকে অনেক কাজ। মাকে বরণ করতে দিন-রাত এক করে চলছে প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি। খড়, মাটির কাঠামোর ওপর রঙের তুলির আঁচড়ে সময় কাটছে ব্যস্ততায়। চারপাশ সেজে উঠবে রঙিন আলোকবাতিতে। ধূপকাঠির গন্ধে আর ঢাকের তালের সন্ধিতে মাকে আগমন জানানো হবে ঘোড়ায় চড়ে। মহালয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর আসে ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী আর সব শেষে মাকে বিদায়ের দিন দশমী। এক একটি দিনকে ঘিরে থাকে নানা আয়োজন আর ধর্মীয় আচার-আচরণ। খাবার বাটি থেকে শুরু করে ঘরের আসবাবপত্রের মাঝেও আসে অনেক পরিবর্তন। ঘরকে সাজানো হয় ভিন্ন আমেজে। কাসার পাত্র, পঞ্চপ্রদীপ, ধূপদানি, আসন কিংবা মঙ্গলঘট সবকিছু হয়তো নতুন করে কেনাকাটার আয়োজন চলে কিংবা পুরোনো সবকিছু আবারও ধুয়ে-মুছে সাজানো হয় নতুনভাবে। তাই পূজার আগে থেকেই নিতে হয় আগাম প্রস্তুতি। যেহেতু পূজার আয়োজন, তাই ঘরকে ফুলে ফুলে সাজিয়ে তুলতে চাই না কোনো কার্পণ্য। নানা ফুলের আয়োজন থাকে ঘরের সাজকে ফুটিয়ে তুলতে। ফুলের পাশাপাশি আলোকবাতির সাজে অন্য এক সাজে সেজে ওঠে বাড়িগুলো, সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় পূজামণ্ডপে আনাগোনা। অন্যদিকে পোশাকের সাজসজ্জায় চাই না কোনো কমতি। বড়দের ক্ষেত্রে সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, পঞ্চ, জিন্স, শার্ট, পাঞ্জাবি কিংবা শাড়ির অনুষঙ্গ নজর কাড়ে সবচেয়ে বেশি। ছেলেদের বেলায়ও পূজার আয়োজন মানেই ধুতি আর পাঞ্জাবি। সাদা কিংবা ধূসর রঙের প্রাধান্য থাকে সবচেয়ে বেশি। যেহেতু গরমের প্রভাব কমতে শুরু করেছে, তাই অন্যান্য রঙের দিকেও নজর থাকে সবার। পূজার আয়োজন তাই সাদার মধ্যে যতটা নিজেকে সাজিয়ে রাখা যায়। রঙের বেলায় ছাড় দেওয়া গেলেও কাপড়ের ধরনের ক্ষেত্রে সুতি কাপড় চাই সবার আগে। ঘাম শুষে নেয় যেমন, তেমনি পরতেও আরামদায়ক।

মেয়েদের বেলায় আবার পূজার আয়োজন মানেই শাড়িতে ভিন্নতা। অন্যান্য পোশাকে পূজার আয়োজনে নিজেকে সাজিয়ে তুললেও শাড়ির মাঝে আছে বাঙালিয়ানার পুরো তৃপ্তি। এসময় হালকা কাজের আর রঙের শাড়িতেই নজর কাড়েন তরুণীরা। তাই তো দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলো পূজাকে কেন্দ্র করে পোশাকে এনেছে ভিন্নতা। উৎসবমুখর এসময় ফ্যাশন হাউজগুলোয় তাদের নিজস্ব ট্রেন্ড, কালার প্যাটেল ও প্রিন্ট ফিউশন দেখা যাবে। এতে করে ক্রেতারা খুব সহজেই তাদের পছন্দমতো পোশাক কিনতে পারবেন। তাই কেনাকাটার পর্ব শুরু করতে হয় বেশ আগে থেকেই। শুধু নিজের জন্যই নয়, বাড়ির ছোট-বড় সবার জন্য থাকে লম্বা তালিকা। এর পাশাপাশি পূজা মানেই একে অন্যকে উপহারের আদান-প্রদান। তাই ছোট ছোট উপহারগুলোকে সাজিয়ে তুলতে হয় মনের মতো করে। যাতে করে পূজার আনন্দ থেকে কেউ বাদ না পড়ে। ব্যস্ততায় যাদের সঙ্গে কথা হয়ে ওঠে না খুব একটা, তাদের সঙ্গে পূজা এলেই আবারও সম্পর্কে মিষ্টতা ফিরে আসে।

পূজার দিনে বিকাল থেকেই শুরু হয় মূল ব্যস্ততা। নতুন নতুন পোশাকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, আর মণ্ডপ ঘুরে ঘুরে দেখা। তাই পূজা আসার আগে থাকে অনেক প্রস্তুতি। অল্প সময় বের করে প্রতিদিনের কাজগুলো সেরে নিলেই অনেক আগেভাগেই শেষ করা যায় পূজার প্রস্তুতি। যাতে মনের মতো করে পরিবারসহ পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া যায়।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

শারদীয় প্রস্তুতি

শারদীয় প্রস্তুতি

তুরাগপারে কাশফুলের রাজ্য

তুরাগপারে কাশফুলের রাজ্য

পূজার আমেজে শাঁখারিবাজার

পূজার আমেজে শাঁখারিবাজার

শারদীয় আয়োজন রঙ বাংলাদেশের ‘রঙে রাঙা শারদ উৎসব’

রঙ বাংলাদেশের ‘রঙে রাঙা শারদ উৎসব’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম