পূজায় বান্দরবানে ঘোরাঘুরি
Advertisement
ফারিন সুমাইয়া
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দূর্গাপুজা। বছর ঘুরে দেবীর আগমন, তাই আনন্দের মাত্রাও বেশি। মাকে সাজাতে ও ঘুরে দেখতে নিজেদের পাশাপাশি প্রিয়জনদের নিয়ে প্রস্তুতিও থাকে অনেক। মাকে দেখতে ভক্তরা যেমন প্রস্তুত, তেমনি মাকে সাজিয়ে ভক্তদের সামনে উপস্থাপন করতে মণ্ডপগুলোও তৈরি তাদের শেষ সময়ের সবকিছু নিয়ে। নিজস্ব চিন্তাচেতনা আর চারপাশের সবকিছু মাথায় রেখেই মণ্ডপগুলো সাজানো হয়েছে। তবে এক এক মণ্ডপ ও এক এক এলাকা আর জায়গা বুঝে নিয়ে এসেছে পরিবর্তন। তাই লম্বা ছুটির এসময় অনেকেই ছুটছেন ঢাকা ও এর আশপাশে অথবা ঢাকার বাইরে পার্বত্যাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় পূজার আনন্দ উপভোগ করতে। এতে পূজা উদযাপনও হবে, পাশাপাশি হবে আনন্দভ্রমণও। পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন-পাহাড়, ঝরনা, ঝিরি ও উপজাতিদের সঙ্গে মিলেমিশে পূজার আনন্দ উপভোগ করলে উৎসবটা যেমন আনন্দমুখর হবে, তেমনি একঘেয়েমি জীবনের ক্লান্তি ক্ষণিকের জন্য হলেও দূর হবে। এতে মানসিক প্রশান্তি যেমন আসবে, তেমনি শরীর ও মন হবে চাঙা। পাহাড়ি অঞ্চল দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়াতে ও সময় কাটাতে সবচেয়ে উপযোগী। পাহাড়ি অঞ্চলগুলো দেখতে বিশাল পরিসর হওয়ায় স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেড়ানো যায়। পূজার পাশাপাশি আছে মেলার আয়োজনও। তাই খুশির মাত্রা যেন বেড়ে যায় কয়েকগুণ। পরিবার আর প্রিয়জনদের সঙ্গে পূজায় ঘুরে বেড়ানোর জন্য অন্যতম জায়গাগুলোর মধ্যে পার্বত্যাঞ্চল অন্যতম।
আমাদের দেশে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় জেলা বান্দরবান। বান্দরবান হচ্ছে শৈল শহর। এ পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বসবাস। বাঙালি ও বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যেকার সম্প্রীতির এক বিরল দৃষ্টান্ত। নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, বগা লেকের মতো অসংখ্য ট্যুরিস্ট স্পট রয়েছে এ জেলায়। একমাত্র পাহাড়ি নদী সাঙ্গুর অনুপম দৃশ্য মন জুড়িয়ে দেয়। পাহাড় আর পাহাড়। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সৌন্দর্য লুকানো। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। চোখে পড়বে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। যেতে যেতে সুর ভাসে বিভিন্ন উপজাতীয়দের গানে। পাহাড় পেরিয়ে বিভিন্ন লোকেশনে প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যিই মনোরম লাগে। পাহাড়ের ভাঁজে রং-বেরঙের ফুল দেয় দৃষ্টিসুখ। তাই পূজার ছুটিতে চলুন যাই বান্দরবান।
