ফুটপাত দখল হলেই উচ্ছেদ অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, যেখানে ফুটপাত দখল হবে, সেখানেই উচ্ছেদ অভিযান চলবে। নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ফার্মগেটসহ যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেখানেও অভিযান চালানো হবে। শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংস ও সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশাসক বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও হকারের কারণে নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি মিরপুর-১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘদিন দখলে থাকা ফুটপাত স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় দখলমুক্ত করা হয়েছে। জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধার করা ফুটপাত পুনর্দখল ঠেকাতে স্থানীয় জনগণ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, গত তিন মাস ধরে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ডিএনসিসি। এর লক্ষ্য নগরবাসীকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করা এবং ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসাবে গড়ে তোলা।
তিনি জানান, ডিএনসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটরা সরকারি ভবন, বাসাবাড়ি ও পরিত্যক্ত স্থানে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা শনাক্ত ও ধ্বংস করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। কর্মসূচিতে ডিএনসিসির বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের স্বেচ্ছাসেবক এবং তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, ইন্দিরা রোড ও রাজাবাজার এলাকার বাসিন্দারা অংশ নেন।
এদিকে শনিবার ডিএনসিসির আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রশাসকের নির্দেশে মিরপুর-১০ নম্বরে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। টিম নিয়মিত এলাকা পর্যবেক্ষণ করবে। ফুটপাত দখল করে কোনো দোকান বা স্থাপনা বসানো হলে সংশ্লিষ্ট মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
