Logo
Logo
×

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কূটনীতির মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করতে চাই

Advertisement

Icon

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো সংলাপ ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইতিবাচকভাবে সমাধান করতে চাই। তিনি বলেন, দুদেশের মধ্যে সংলাপ ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা চলছে। এসব আলোচনার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করে একটি ভালো ফলাফলে পৌঁছাতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য দিল্লিতে একটি সহায়ক পরিবেশ কীভাবে তৈরি হবে, সেই পরিবেশ কেমন-জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আলাপ-আলোচনা, ডায়ালগ, ডিপ্লোমেটিক এনগেজমেন্ট-এগুলো তো আছেই। আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। আমাদের কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। আশা করি এই চ্যালেঞ্জগুলোর একটা সমাধান পজিটিভলি আমরা করতে পারব। ‘লেটস ট্রাই। আই অ্যাম শিওর, উই উইল হ্যাভ আউটকাম।’

শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপ বা কোনো সভা আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনো সচিব পর্যায় বা কর্মকর্তা পর্যায়ে দুদেশের মধ্যে সংলাপ চলছে। শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপ কবে হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, শীর্ষ পর্যায়ের ডায়ালগ তো হবে যখন ভিজিট হবে। এর আগে কনক্লুসিভ এনভায়রনমেন্ট করতে হবে অফিসিয়াল লেভেলের ডায়ালগের মাধ্যমে। তিনি বলেন, দুপক্ষেরই এগিয়ে আসতে হবে। ডায়ালগ তো হচ্ছে, বারবারই হচ্ছে। আমরা চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করার চেষ্টা করছি।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ন্যাশনাল ইন্টারেস্টে এনগেজ করব। আর প্রধান চ্যালেঞ্জ-এটা খুব বেশিকিছু চাওয়া নয় যে, দিল্লিতে একজন সন্ত্রাসীকে সংযত করা। একজন সন্ত্রাসী দিল্লিতে বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ভারতে আরও কিছু অপরাধী রয়েছে। এসব বিষয় দুদেশের জন্যই বাধা তৈরি করছে। তাই আমরা সংযম দেখাচ্ছি এবং ভারত সরকারের কাছ থেকেও এর প্রতিদান চাই। আমরা চাই ভারত সরকারও এর বিরুদ্ধে থাকুক। কারণ এটা দুদেশের জন্যই বাধা।

দুদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংযম ও পারস্পরিক সহযোগিতাকে স্বাভাবিক নিয়ম হিসাবে দেখার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এটাই দুদেশের মধ্যে স্বাভাবিক হওয়া উচিত। যদি এই সংযম, এই ওয়ার্কিং রিলেশনশিপ একটা নর্ম হয়, আমরা একসঙ্গে কাজ করব।

আঞ্চলিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমরা বিষয়গুলো খোলামেলাভাবে দেখি এবং খোলামেলা ডায়ালগ চাই। আমরা কখনো ডায়ালগ ও ডিপ্লোমেসির দরজা বন্ধ করিনি। এর মাধ্যমে এগিয়ে যাব এবং সন্তোষজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছাব। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে তিনি আশাবাদী কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশাবাদী, এটা হবে।’

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তুরস্কে যেতে পারেন কপ সম্মেলনে যোগ দিতে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের খবর নিতে হলে বাংলাদেশ থেকেই নিতে হবে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সংবাদ সম্মেলনে জিএমপি কমিশনার ‘পিচ্চি রাজা’কে প্রাইভেটকারে তুলে দিয়েছিল পুলিশই

‘পিচ্চি রাজা’কে প্রাইভেটকারে তুলে দিয়েছিল পুলিশই

উত্তেজনা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি বেড়েছে

উত্তেজনা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি বেড়েছে

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কূটনীতির মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করতে চাই

কূটনীতির মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করতে চাই

গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবি ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যাবে ১১ দলের লংমার্চ

৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যাবে ১১ দলের লংমার্চ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম