মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক
আরও ৯ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে ৯ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার। আগামী ডিসেম্বর থেকে পরের বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব কার্গো সরবরাহ করা হবে। জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) সূচকের চেয়ে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি ১০ সেন্ট কম দরে কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রয়োজনে দুই পক্ষের সম্মতিতে কার্গোর সংখ্যা কমানো বা বাড়ানো যাবে। এছাড়া সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পেয়েছে ১০ হাজার টন চিনি কেনার দুটি প্রস্তাব। এতে ব্যয় হবে ১০৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। পাশাপাশি রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে এক লাখ ৫৫ হাজার টন এমওপি বা পটাশ ও ডিএপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তাতে ব্যয় হবে ৯৬৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে, গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তাবেরও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
মঙ্গলবার রাতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন লাভ করে। অর্থমন্ত্রী থাইল্যান্ড থেকে অনলাইনে অংশ নেন। পরে অর্থমন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এটি জানিয়ে দেওয়া হয়।
চিনি ও সার আমদানিতেও বড় ব্যয় : সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মেঘনা সুগার রিফাইনারির কাছ থেকে দুই প্রস্তাবে পাঁচ হাজার টন করে ১০ হাজার টন চিনি কেনা হবে। প্রথম প্রস্তাবে প্রতি কেজি ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা দরে ব্যয় হবে ৫১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্রস্তাবে প্রতি কেজি ১০৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে ব্যয় হবে ৫১ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। উভয় প্রস্তাবের দরে ভ্যাট ও কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় রাশিয়া ও কানাডা থেকে এক লাখ ১৫ হাজার টন এমওপি সার এবং সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার কেনা হবে। রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ১৬৬ কোটি ১০ লাখ টাকা। কানাডা থেকে দুই লটে ৮০ হাজার টন এমওপি সার কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ৩৭৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আর সৌদি আরবের মা’আদেন থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ৪২৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে সার আমদানিতে ব্যয় হবে ৯৬৯ কোটি ৪৭ লাখ ১৪ হাজার ৮৫০ টাকা।
