মাঠে সবচেয়ে সহজ ভাষা ফুটবল
বাংলাদেশ দলে সুখির আরেক চ্যালেঞ্জ
Advertisement
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাবা বাংলায় কথা বলেন। পরিবারের অন্যরা জাপানি ভাষায়। সেই পরিবারের ছেলে সুখি ইতোফুসা। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে অভিষেকের পর তার সামনে নতুন পথ। ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের পর শনিবার সকালটা ছিল বিশ্রামের। বাংলাদেশ দলের নয় ফুটবলার ফিটনেস ট্রেইনার রাফায়েলের অধীনে জিমে রিকোভারি সেশন করেন। বিকালে হেড কোচ টমাস ডুলির অধীনে জিবিকে এ ট্রেনিং ফিল্ডে অনুশীলন করেন ১৪ ফুটবলার। হালকা অনুশীলনে স্ট্রেচিং, ফিটনেস ও বল পাসিং এবং শেষদিকে ছোট মাঠে দুই দলে ভাগ হয়ে টেকনিক্যাল সেশন।
অনুশীলনের ফাঁকে নিজের গল্প শোনালেন সুখি। শৈশবের স্বপ্নের কথা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরে আমি আনন্দিত।’ তিনি যোগ করেন, ‘এখনো কিছু জায়গায় উন্নতি করার প্রয়োজন আছে। আমার ফিটনেস ও কন্ডিশন আরও উন্নত করতে কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। পাশাপাশি গোল করে দলের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে চাই।’ সুখি বলেন, ‘ভাবিনি এত শিগগির লাল-সবুজ জার্সিতে আমার অভিষেক হবে। তবে আমি প্রস্তুত ছিলাম দেশের জন্য লড়তে।’ আরেকটি চ্যালেঞ্জ তার সামনে। সেটি হলো ভাষা। সুখির ভাষায়, ‘আমার সতীর্থরা ইংরেজি বা ইশারায়-ইঙ্গিতে কথা বলে। যতটুকু আমি বুঝতে পারি। ওরা আমার খেয়াল রাখে। আমার সঙ্গে কথা বলে। এখন আমি মোটামুটি একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি।’ ভাষার দূরত্ব তাকে আটকে রাখেনি। নতুন সতীর্থ, নতুন পরিবেশ সব কিছুই উপভোগ করছেন। মাঠে ফুটবলই সবচেয়ে সহজ ভাষা।
পরিবার থেকে দূরে থাকা নিয়ে সুখি বলেন, ‘পরিবার থেকে দূরে থেকে আমি যদি সফল হতে পারি, তাহলে সেটা আমার পরিবার এবং আরও অনেক মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে আনে।’ সুখি বলেন, ‘শুধু বাবা বাসায় বাংলায় কথা বলেন। অন্যরা জাপানি ভাষায় কথা বলে।’
