মনুমেন্তালে আর্জেন্টিনার সাত গোল
Advertisement
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আর্জেন্টিনার মতো দলের এমন প্রহসনের ম্যাচে খেলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। প্রীতি ম্যাচের নামে ডেকে এনে বুরকিনা ফাসোর দ্বিতীয় সারির দলকে নিয়ে যেন ছেলেখেলা করল তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে নিদারুণ একপেশে ম্যাচে বুরকিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে মহানায়ক লিওনেল মেসিকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি সেরেছে আর্জেন্টিনা। একই মাঠে বুধবার ভোর ৫টায় মেসির বিদায়ি ম্যাচে আফ্রিকার আরেক দেশ বেনিনের মুখোমুখি হবে লাতিন পরাশক্তিরা।
শক্তি, সামর্থ্য ও ঐতিহ্যে আর্জেন্টিনার চেয়ে অনেক পিছিয়ে বুরকিনা ফাসো। ফিফা র্যাংকিংয়ের ৬২ নম্বর দলটি মরক্কোয় ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় পরবর্তী জটিলতায় অনূর্ধ্ব-২৩ দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে আর্জেন্টিনায় যেতে বাধ্য হয়। মূল জাতীয় দলের খেলোয়াড় ছিলেন মাত্র একজন। খর্বশক্তির সেই দল ম্যাচ শুরুর মাত্র পাঁচ ঘণ্টা ১৫ মিনিট আগে পা রাখে আর্জেন্টিনায়। প্রায় ১২ ঘণ্টা বিমানে কাটিয়ে সরাসরি মাঠে নেমে এমন ভরাডুবিই তো স্বাভাবিক। প্রথমার্ধেই আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় ৫-০ গোলে। চার মিনিটে পেনালটি মিসের পর ফিরতি বল জালে জড়িয়ে গোল উৎসবের সূচনা করেন লাওতারো মার্তিনেজ। আট মিনিটে মাউমানি দিয়ালোর আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়ার পর একে একে বুরকিনা ফাসোর জাল কাঁপান জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি, নিকো পাজ ও হুলিয়ান আলভারেজ। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো একাদশ বদলে ফেলেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। বদলি হিসাবে নেমে বাকি দুই গোল করেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো ও জুলিয়ানো সিমিওনে।
মাঠের লড়াই না জমলেও এত কষ্ট করে খেলতে আসায় বুরকিনা ফাসোকে ধন্যবাদ জানান স্কালোনি, ‘আমরা বুরকিনা ফাসোকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ফুটবলের মর্যাদা রক্ষা করেছে। আমরা ফাইনালের মতো করেই ম্যাচটি খেলার চেষ্টা করেছি, যাতে তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হয়। তারা যে এত কষ্ট করে খেলতে এসেছে, সেজন্য আমরা ভীষণ কৃতজ্ঞ।’ এবার মেসিকে বিদায় জানানোর পালা। এ নিয়ে এখনই আবেগপ্রবণ স্কালোনি, ‘মাঠে মেসি যা করে, তা আমি অন্য কারও মধ্যে দেখিনি। সে আসলে এমন এক শূন্যতা রেখে যাচ্ছে, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।’
