নয় গোলের লজ্জার পর নাইট ক্লাব বিতর্ক
Advertisement
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একদিকে মাঠে নয় গোলের ক্ষত। অন্যদিকে মাঠের বাইরের এক ছবি। ফিফা আসিয়ান কাপে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে বাংলাদেশের ৯-২ গোলে হারের পর যেন নতুন করে অস্বস্তির দরজা খুলেছে জাতীয় ফুটবলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দুই ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রকে নাইট ক্লাবে দেখা গেছে। এমন অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। তবে দুই ফুটবলারের দাবি, ছবিটি পুরোনো; ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের পরের নয়।
বিষয়টি নিয়ে এবার সরাসরি মুখ খুলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ টাওয়ারের সভাকক্ষে এশিয়ান গেমসে পদকজয়ী উশু খেলোয়াড় জিন্নাত আক্তারকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি জানান, অভিযোগের তদন্ত হবে। প্রমাণিত হলে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ভাতাও বাতিল করা হবে। প্রতিমন্ত্রীর কথায় হতাশার সঙ্গে ছিল ক্ষোভও। তিনি বলেন, ‘ফুটবলের ফলাফল এমনিতেই খুব খারাপ হয়েছে। তার ওপর এই অভিযোগ। আমি খুব হতাশ হয়েছি।’ শুধু দুই ফুটবলার নন, ওই সময়ে জাতীয় দলের ম্যানেজমেন্টে কারা ছিলেন, তাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি। নয় গোল হজমের পর রাতের অন্ধকারে নাইট ক্লাব-ছবিটি সত্যি হলে প্রশ্নটা শুধু দুই ফুটবলারকে ঘিরে থাকবে না, ছড়িয়ে পড়বে পুরো দলের পেশাদারিত্ব ও ব্যবস্থাপনার দিকে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে যেখানে একটি ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের ঘুম, খাবার, বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধার পর্যন্ত পরিকল্পনার অংশ, সেখানে ম্যাচের পর দলের শৃঙ্খলা নিয়ে এমন অভিযোগে উঠতেই পারে প্রশ্ন। তবে অভিযোগ আর সত্য এক নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ছবি কখন তোলা, কোথায় তোলা এবং কোন প্রেক্ষাপটে তোলা তা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই। দুই ফুটবলারও দাবি করেছেন, ছবিটি পুরোনো। ফলে এখন সবচেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করা। ‘যারা নাইট ক্লাবে গিয়েছেন এমন অভিযোগ প্রমাণিত হলে শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা যদি ক্রীড়া ভাতার আওতায় থাকেন, তাহলে তা বাতিল করা হবে,’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।
