সামর্থ্যরে ঘাটতি, না মানসিকতার?
হৃদয়ের দৃষ্টিতে ব্যর্থতার কারণ
Advertisement
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বলা যত সহজ, করে দেখানো ততই কঠিন। তাওহিদ হৃদয় কথাটা ঠিক এভাবে বলেননি। বলেছেন, ‘আমরা আমাদের কথার প্রতিফলন বাস্তবে ঘটাতে পারিনি।’ মানে, ম্যাচের আগে উচ্চারিত কথামালা তারা রূপান্তরিত করতে পারেননি খেলায়। সুতরাং, আশা পরিণত হয় আক্ষেপে। বুধবার রাতে শারজায় যা হলো, সেটিকে দুঃস্বপ্ন, দুর্যোগ, দুর্বিপাক-যা-ই বলুন, তাতে ক্ষতে প্রলেপ দেওয়া যাবে না। ফাইনালে খেলার স্বপ্ন হেমন্তের কুয়াশা হয়ে যায় ১৬০ রানে অলআউট হয়ে সাত উইকেটে হেরে। আফগানিস্তান হাসতে হাসতে চলে যায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে। যেখানে আজ তাদের সামনে জিম্বাবুয়ে।
ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় পরশু রাতে ম্যাচ-উত্তর কথোপকথনে স্বীকার করতে কুণ্ঠিত হননি যে, তারা সেভাবে খেলতে পারেননি, যেভাবে খেলবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। ‘সত্যি বলতে, আমরা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারিনি’, অকপট স্বীকারোক্তি হৃদয়ের। বাংলাদেশের ইনিংসে তিন শূন্যের একটি তার। তিনি বলেন, ‘আমি একমত যে, প্রায় দেড় বছর ধরে দেশের বাইরে ভালো করতে পারছি না আমরা। দ্রুত আমাদের ভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নিয়ে ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে হবে। শুধু বললে সেটি যথেষ্ট হবে না।’ হৃদয় যোগ করেন, ‘দেশের মাটিতে আমাদের ব্যাটাররা প্রায় প্রতিটি ম্যাচে ভালো করেন। তাই দেশের বাইরে খেলতে এলে কিছু জায়গা আছে, যেখানে আমাদের উন্নতি করতে হবে।’
সমস্যাটা কোথায়? সমস্যা মানসিকতায়। ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যদি আপনি রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেলেন, তাহলে সাফল্য পাওয়া কঠিন’, সমস্যাটা চিহ্নিত করতে পেরেছেন হৃদয়। রুগ্ণ ব্যাটিং, খরাপীড়িত ক্রিকেট খেলে বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত হওয়া থেকে নিজেদের উদ্ধার করতে সচেষ্ট হতে হবে টাইগারদেরই। গত দুই বছরে দেশের বাইরে ১৬ ওডিআইতে মাত্র দুটি জয় এবং বাকি সব ম্যাচে হার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে সামর্থ্যরে ঘাটতি। শুধু সংকল্প দিয়ে তো আর ক্রিকেট চলে না।
