উৎসবের বদলে ভোগান্তি বিশৃঙ্খলা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নেই উৎসবের রং, দর্শক উন্মাদনা। সাজসজ্জা, প্রচারের বালাই নেই। পদে পদে ভোগান্তি। ২০০৩ সালে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ জয়ের উৎসব করেছিল বাংলাদেশ। ২৩ বছর পর সেই মাঠেই দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শুরু হলো সাদামাটাভাবে। বৃহস্পতিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠল সাফের। রাত ৮টায় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশের মুখোমুখি হয় ভুটান। মাঠের লড়াইয়ের চেয়ে বিশৃঙ্খল আয়োজন বড় হয়ে উঠেছে।
২০০৩, ২০০৯ ও ২০১৮ সালের সাফে ঢাকায় যে উৎসবের আবহ ছিল, এবার তার ছিটেফোঁটাও নেই। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ট্রফি উন্মোচন হয়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কারা থাকবেন, দুই ম্যাচের মাঝে কী আয়োজন হবে, এ নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। জাতীয় স্টেডিয়ামের আশপাশেও চোখে পড়েনি প্রচার-প্রচারণা। দর্শকদের মাঠে আসার পথে বড় বাধা টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম। সাধারণ গ্যালারির টিকিট এক হাজার টাকা ভ্যাটসহ আরও বেশি। এক টিকিটে দুটি ম্যাচ দেখার সুযোগ থাকলেও, তাতে সাড়া মিলছে না। সূচি নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাংলাদেশের ম্যাচ নেই। স্বাগতিকদের খেলা শুরু রাত ৮টায়। তার ওপর পরিবারের চারজনকে নিয়ে এলে শুধু গ্যালারির টিকিটে খরচ হবে চার হাজার টাকার বেশি। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলির আক্ষেপ, ‘আমি দেশে-বিদেশে একাধিক সাফ খেলেছি। কোনো সাফই এরকম নিষ্প্রাণ লাগেনি।’ তার মতে, হামজা চৌধুরীকে ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলে যে নতুন আগ্রহ তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে উৎসব করা যেত। সেই সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে। অব্যবস্থাপনা থেকে রেহাই পাননি সাংবাদিকরাও। অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড সংগ্রহের পর প্রেস বক্সে যেতে আলাদা পাশ নিতে হয়েছে। খেলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সেই পাশ সংগ্রহ করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেকে।
